সেরের উপর সোয়া সের

রাসেলের বাবা এক্স ক্যাডেট। এক প্যারেন্টস ডেতে তিনি আসলেন আমাদের কলেজে।এর আগে কোন প্যারেন্টস ডে তে তিনি আসতে পারেননি। দেশের বাইরে থাকার কারণে সব সময়

ক্যাডেট মাহবুব ও চাটনির গল্প

ক্লাস সেভেনের মাহবুবকে বললাম যাতো নাজিরকে ডেকে নিয়ে আয়।ওরে দুটো চটকানি দেই।আমি বলার সাথে সাথে জো হুকুম জাহাপনা টাইপের একটা বাউ করে ছুট দিলো মাহবুব।আমার

ক্যাডেট মহিবুল স্যরি বললেও দোষ না বললেও দোষ

সিনিয়রের সাথে ইচ্ছায় বা অনিচ্ছায় টাচ লাগলে তাকে স্যরি বলতে হবে।গাইড হায়দার ভাই এটা শিখিয়ে দেওয়ার পর ক্লাস সেভেনের মহিবুলের মাথায় সেটা সারক্ষণ ঘুরপাক খেতে

সাহসী ক্যাডেট

একাডেমিক ব্লকের নিচেয় দাড়িয়ে আছি আমি ওয়ালিউর আর অপার। ক্যাডেট ওয়ালিউর শের ই বাংলা হাউসের আর ক্যাডেট অপার সোহরাওয়ার্দী হাউজের।আমাদের মধ্যে দারুন বন্ধুত্ব।প্রায় কোন কথাতেই

সুখে থাকতে ভুতে কিলানোর গল্প

ভ্যাকেশানে বাড়ি ফেরার পর ক্যাডেট সজলকে তার বড় ভাই আনাস জিজ্ঞেস করলেন কিরে সজল এবার কলেজে কয়টা ইডি খেয়েছিস?ইডির কথা শুনলেই সজলের যেন কেমন লাগে।ও

রেজওয়ানের জেপিশীপ/সোজা আঙ্গুলে ঘি ওঠেনা

প্রিন্সিপাল স্যার ক্রিয়েটিভিটির খুব ভক্ত।ডিসিপ্লিন আর ক্রিয়েটিভিটি যদিও এক নয় তার পরও তিনি সব সময় এ দুটোকে বেশি পছন্দ করেন।আর কোন ক্যাডেটের মধ্যে যদি ক্রিয়েটিভিটি

ভ্যাকেশানের ভেলকি

একবার বর্ষাকালে কলেজের ভ্যাকেশান শুরু হলো।বর্ষা কাল আমাদের ভাল লাগতো না।শরিয়তুল্লাহ হাউজের ক্যাডেট সিজানের বাসা ঝিনাইদাহ।ওর সাথে আমার বেশ ভাল বন্ধুত্ব ছিল। যদিও আমি সোহরাওয়ার্দি

ভ্যাকেশানের প্রথম রাত

ভোর হতে তখনো বেশ দেরি।চারদিকে শুনশান নিরব। মিসেস রাবেয়া ছোটাছুটির শব্দ শুনে বিছানা ছেড়ে উঠে পড়লেন।বাইরে দুবার বাশির শব্দ শুনেছিলেন। যে শব্দটা রোজই শোনেন। নাইটগার্ড

চাঁদাবাজ ক্যাডেট

ভ্যাকেশানে বাড়িতে এসেছি।বন্ধুদের নিয়ে মাস্তি করে বেড়াচ্ছি।এক দিন আমার পিচ্চি বোনটা বললো ভাইয়া কালকে আমার ম্যাথ এক্সাম কিন্তু জ্যামিতি বক্সে সব ঠিক থাকলেও চাঁদাটা পাচ্ছিনা।