মুক্ত ও বন্দীত্ব

মানুষ মুক্তি চেয়েছিল ট্রাফিকজ্যাম,কল কারখানার ধোয়া,যানবাহনের বিরক্তিকর আওয়াজ আর জনসভায় রাজনৈতিক নেতাদের প্রতিশ্রুতির বন্যা বইয়ে দেওয়া ভাষণ থেকে। মুক্তি চেয়েছিল সমাজ থেকে,দৈনন্দিন রুটিন থেকে ক্যারিয়ার,স্বপ্ন,কর্পরেট

করোনার ছুটিতে ছোটাছুটি চলছে

করোনাতে ছুটি দিছলো ঘরে থাহার লাইগ্যা কেডায় শুনে হেই কতাডা হবাই গেছে ভাইগ্যা। আরও একবার ছুটির মিয়াদ বাড়ায় দিছে সরকার বাড়ি থুইয়া ঢাহায় আসার তুমার

তখনও তুমি থাকবে

পৃথিবীর সব আলো নিভে যাবে,চারদিকে এক রং নিকোষ কালো অন্ধকার যখন সবাই হতাশায় নিমজ্জিত হবে,চারদিকে না পাওয়ার হাহাকার। ভুবন ডাঙার চিল পথ হারাবে,ডানা মেলে উড়ে

নাকি সব মিছে মায়াজাল

এখনো স্বপ্ন দেখি,জেগে উঠি নব নব প্রেমে যদিও ক্ষুদ্র জীবন জানিনা কখন যাবে থেমে। ভালোবাসি,বিরহের সুর শুনি,প্রতিক্ষণে ভাঙনের ঢেউ ডাক এলে ছেড়ে যাবো,ভুলে যাবো সবথেকে

মিছেই খুঁজি তারে নগরে-বন্দরে রোজ

পৃথিবীর পথে পথে,কোনো এক মায়াবিনী মূখ সারাদিন খুঁজে ফিরি,যার মাঝে আছে সব সুখ। ক্লান্ত দিনের শেষে ঘরে ফিরে চোখ দু’টি বুজি নগরে-বন্দরে কোথাও পাইনি তারে,কোথায়

সেদিন সন্ধ্যা বেলায়

সেদিন সন্ধ্যা বেলায় তুমি এলে বলে সবকিছু ছুড়ে ফেলে ছুটেছি দ্বিচক্রযানে চেপে যেন বিলম্ব তোমাকে অপেক্ষার যন্ত্রনা না দেয় কল্পনার সব রং একসাথে করে তোমাকে

হয়তো আছি কিংবা ছিলাম অথবা নেই

খুব ছোটবেলা থেকেই সবকিছুকে আমার আমার করে বড় হয়েছি আমার বাবা,আমার মা,আমার ভাই,রুমটাও আমার এমনকি বাবার লেখার কলমটিও আমার বলে দাবী ছিলো স্কুল থেকে বছরের

আমাদের দেখা হয়েছিল

একবারই আমাদের দেখা হয়েছিল না না একবার নয়,দুইবার শীতের শেষ বিকেলে সুর্য ডুবে গিয়ে যখন সারা আকাশ জুড়ে কুয়াশা নেমে আসছে তখন কোন এক যান্ত্রিক