প্রকৃতি প্রেমীর চলে যাওয়া

আমরা যখন বাসার ছাদে টবে লাগানো বনসাইটাও টিকমত চিনে উঠতে পারিনি তুমি তখন যান্ত্রিক এই নগরীর অলিতে গলিতে দেয়ালের ফাঁকে ফাঁকে জন্ম নেওয়া প্রতিটি বৃক্ষ

দুই মেরু

আমি একদিন যাবো তোমার বাড়িতে,তোমার আঙিনায় উত্তর ঘরের বারান্দা থেকে টুল এনে কেউ একজন বসতে দেবে আমায় টুলটাতে বসতে বসতে আমার চোখ তোমাকে খুঁজবে আমার

সীমান্তের কুলবৃক্ষ ও প্যাঁচা

তোমাকে সীমান্তের কুলবৃক্ষ ভেবে কাটাতারের প্রাচীর পেরিয়ে চলে এসেছিল কতিপয় ক্ষুধার্ত প্যাঁচা ওরা তোমার কুলছিড়ে খেয়েছে,তোমার ডাল ভেঙ্গেছে তার পর যেতে যেতে তোমার শিকড়ে ঠোকর

আজ সন্ধ্যায় সেখানেই যাব

আজ সন্ধ্যায় সেখানেই যাব,স্মৃতিতে বুলাবো হাত যেখানে তোমারে ফেলে এসে রোজ করেছি অশ্রুপাত। যে নদীর জলে তোমার দু’পা খুঁজে পেতো কত সুখ আজ সন্ধ্যায় সেখানেই

স্বপ্ন আরও

আমার সাথে কোন দিনও হয়তো তোমার হয়নি দেখা তাই বলে কি নিষেধ আছে তোমায় নিয়ে গল্প লেখা। হয়তো কভু এক জীবনে চোখ রাখিনি তোমার চোখে

গ্রামের টানে

চারপাশে ধান ক্ষেত সবুজের মেলা সবুজের সাথে মিশে কাটাবো এ বেলা। ওই দূর দেখা যায় আমাদের বাড়ি একা আমি মেঠো পথ দেব আজ পাড়ি। উঠোন

এমবিবিএস রেজাল্ট সমাচার

দেব দেব করে MBBS এর রেজাল্ট কিন্তু দিচ্ছেনা এই ফাঁকে কিছু ঘটে যেতে পারে কেউ তার খোঁজ নিচ্ছেনা। বাড়িতে কোন রান্না না করে হোটেলে যেমন

তোমার সকল চাওয়া

তুমি আমায় আকাশ হতে বলো যেন আমি অনেক দূরে থাকি তখন তুমি অন্য কারো হবে আমায় দেবে শুভংকরের ফাঁকি।   আমি তবে আকাশ হব কেন?

হাতি নিয়ে মাতামাতি

বানের জলে ভারত থেকে ভেসে এলো হাতি সেটা নিয়ে মেতে উঠলো সবাই রাতারাতি। এরই ফাঁকে মন্ত্রী মশাই বন্ধ করলেন গ্যাস সেইটা নিয়ে উঠলো মেতে গোটা

নিজেকেই চিনি না

নিজেরেই চিনিনাই তোমারে কি চিনবো আপনারে চিনিতেই দিন হলো পার ক্ষণিকের পৃথিবীতে সময় কোথায় বলো তোমা চিনিবার। দর্পনে দেখি মূখ,সে আমিতো আমি না আমারে যা