দুই মেরু

আমি একদিন যাবো তোমার বাড়িতে,তোমার আঙিনায় উত্তর ঘরের বারান্দা থেকে টুল এনে কেউ একজন বসতে দেবে আমায় টুলটাতে বসতে বসতে আমার চোখ তোমাকে খুঁজবে আমার ঘ্রাণেন্দ্রিয় তোমার খোলা চুল থেকে ভেসে আসা সৌরভ খুঁজবে শুধু তুমি এসে দাড়াবেনা আমার সামনের ফাঁকা উঠোনে তুমিতো তখন পায়ে আলতা মেখে নববধুর সাজে কারো আগমনের অপেক্ষায় আমি সেদিন তোমার

সীমান্তের কুলবৃক্ষ ও প্যাঁচা

তোমাকে সীমান্তের কুলবৃক্ষ ভেবে কাটাতারের প্রাচীর পেরিয়ে চলে এসেছিল কতিপয় ক্ষুধার্ত প্যাঁচা ওরা তোমার কুলছিড়ে খেয়েছে,তোমার ডাল ভেঙ্গেছে তার পর যেতে যেতে তোমার শিকড়ে ঠোকর দিয়ে গেছে।   তুমি তখন চিৎকার করেছ,কোন পাখি সেই চিৎকারে তোমার পাশে দাড়ায়নি প্যাঁচাদের ঠোকর যখন তোমাকে ক্ষতবিক্ষত করছিল যখন একটু একটু করে তোমার ডাল ভেঙ্গেছিল তোমার কেবলই মনে হচ্ছিল

আজ সন্ধ্যায় সেখানেই যাব

আজ সন্ধ্যায় সেখানেই যাব,স্মৃতিতে বুলাবো হাত যেখানে তোমারে ফেলে এসে রোজ করেছি অশ্রুপাত। যে নদীর জলে তোমার দু’পা খুঁজে পেতো কত সুখ আজ সন্ধ্যায় সেখানেই যাব,যেতে আমি উন্মুখ। আকাশে আজকে তারা জ্বলবেনা,থাকবেনা কোন চাঁদ যতক্ষণ খুশি বসে রবো একা,কারো নেই প্রতিবাদ। আজ সন্ধ্যায় সেই আঙ্গিনাতে কেবলই থাকবো একা একাকী কাটাবো এই কথাটাতো বহুকাল আগে লেখা।