জিনিয়াস

লেখকঃ নুসরাত জাহান মুনিরা বিকেলটা খুব সুন্দর ছিলো।ফুরফুরে হিমেল হাওয়ায় খোলা চুল উড়ছিলো।আম্মু বলার পরও সেদিন আমি দুই বেণী করিনি।কেউ কেউ আছে যারা চুলে দুটো

তিন শহরের টান

ক্লাসে মন বসছিলো না।শেষে দুপুরের আগেই বাসায় ফিরে এলাম।গত বছর ৯ মার্চের কথা।আমাদের বাসা মহম্মদপুরের নুরজাহান রোডে।বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফিরে সাধারণত বিকেল থেকে সন্ধ্যা পযর্ন্ত বন্ধুরা

আমি কিছু লিখিনি

নভেম্বরের ২৭ তারিখ বিকেলে হঠাৎ বদরুলের ফোন।ও সাধারণত আমাকে খুব একটা ফোন করেনা।সারাক্ষণই নিজেকে নিয়ে তামাশা করে,ছোট বলে খোটা দেয়।অথচ বন্ধুদের মধ্যে সেই সব থেকে

মমতার বন্ধন

শীতের বিকেল।আকাশের সুর্য যে রোদ ছড়াচ্ছে তা উষ্ণতার জন্য যথেষ্ট নয়।বিশেষ করে কক্সবাজারের আবহাওয়াটাও অন্যরকম।আমার বন্ধু উইলহেমের আমন্ত্রনে ঢাকা থেকে আরও তিনজন বন্ধুকে সাথে নিয়ে

বসন্ত এসেও আসেনি

বসন্তের গল্প শুনবেন? ভালোবাসা দিবসের গল্প? প্রেম আসা না আসার গল্প? এই গল্পটা আমার বন্ধু মাহমুদের। নির্ঝর আবাসিক এলাকায় আমাদের বাসা।মাহমুদও ওখানেই থাকে। ওর বাবা

উজবেক কবি ও আমি

কথা বলতে গিয়ে আমি একটি প্রশ্নের মূখোমুখি হলাম।তিনি জানতে চাইলেন আপনিকি কবিতা লেখেন? আমি বললাম কবিতা লিখি না।তিনি তখন আমাকে দ্বিতীয় প্রশ্নটি করলেন। অবাক হয়ে

ভাবনায় ছিলোনা এমন

ফুটপাত ধরে একাকী হাটছি।হঠাৎ একটি কালো পাজেরো গতি কমিয়ে আমার পাশে পাশে চলতে শুরু করলো।আমি ভাবলাম গাড়ীটা থামবে তাই গতি কমিয়েছে।পরে দেখলাম গাড়ীর কাচ নামিয়ে

কচুরিপানার খাল

বিকেলে ফুটবল খেলতে গিয়ে রোজ একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটতো কলেজে।এ ফর্মের কারো পা থেকে বল গিয়ে যদি কোন ভাবে ইকরামের পায়ে ঠেকতো তাহলে সেই চিরচেনা

ছোটবোনের মেহমানদারী

জেএসসি পরীক্ষার পর বেশ লম্বা ছুটি আমার হাতে।সারাদিন টিভি দেখা,ঘুরতে যাওয়া,গেমস খেলার পরও আমি চেষ্টা করি কিছুটা পড়াশোনা করতে।গল্পের বই বেশি পড়ছি তবে ক্লাস নাইনের

ইরেজার

জাজাফীর মন ভালো নেই।শাহ মখদুম হল থেকে বেরিয়ে হাটতে হাটতে বঙ্গবন্ধু হলের সামনে দিয়ে শামছুজ্জোহার সমাধি পেরিয়ে সে তখন একাকী হাটছে প্যারীস রোডে।কোন কিছুই তার