চারিত্রিক সনদপত্র ও অন্যান্য

বিকেল গুলো এখন বিষন্ন হয়ে উঠেছে।রাত জেগে ফেসবুক ইউটিউবে ঘুরাঘুরি করে সকালে ঘুমোতে গেলে ঘুম ভাঙে দুপুরে।যতক্ষণ ঘুমিয়ে থাকি কোন চিন্তা নেই কিন্তু বিকেল যেন আর কাটতেই চায় না।কি করে কাটবে?একাকী এই শহরে ঘুরে বেড়াতে কার বা ভালো লাগে।যখন আমার অখন্ড অবসর তখন বন্ধুরা ব্যাচমেটরা সব অফিসে নিজের ক্যারিয়ার আর কাজ নিয়ে ব্যস্ত।শুধু আমরাই কোন

চিঠিওয়ালার খোঁজে

—জাজাফী কোটালিপাড়া বাস স্ট্যান্ড থেকে একটু অদুরেই সুন্দর পরিপাটি পোষ্টঅফিস।মোবাইল ইন্টারনেটের যুগে এখন আর কেউ তেমন একটা চিঠি লেখেনা বলেই পোষ্টঅফিসটাকে পরিত্যাক্ত মনে হয়।মানুষ মনে করে চিঠি লেখা মানে সময় নষ্ট করা।যে কথা চিঠি লিখে জানাতে এক সপ্তাহ লেগে যাবে সে কথা কয়েক সেকেন্ডেই বলে দেওয়া গেলে কে আর চিঠি লেখে?পোষ্ট অফিসের ডাক বাকাসোটা তাই

মানিক জেনারেল স্টোর

–জাজাফী মধুমিতা রোড দিয়ে ঢুকে একটু সামনে এগোতেই হাতের ডানে মোড় নিয়েছে একটি সরু গলি।গলির এই রাস্তাটি আরিচপুরের মধ্য দিয়ে সোজা গিয়ে মিশেছে টঙ্গী বাজারে।আইসক্রিম ফ্যাক্টরী পেরিয়ে মোড় নিয়ে এগোতেই তিনতলা মসজিদ।মসজিদটি সুন্দর এবং পাঁচওয়াক্তই মুসল্লীতে ভরপুর থাকে।যদিও এটির আকার তিনতলা ছাড়িয়ে গেছে অনেক আগেই কিন্তু কি কারণে যেন এখনো এটিকে তিনতলা মসজিদ বলেই সবাই