দিনবদলের সাক্ষী

জীবিত থেকেও মানুষ একা হয়ে যেতে পারে বাহার সাহেব হঠাৎই সেটা অনুভব করলেন।মৃত্যুর পর যেমন তার কোন সঙ্গী থাকেনা অনেকটা সেরকম।বাহার সাহেব বেশ বড় রকম

আমি কিছু লিখিনি

নভেম্বরের ২৭ তারিখ বিকেলে হঠাৎ বদরুলের ফোন।ও সাধারণত আমাকে খুব একটা ফোন করেনা।সারাক্ষণই নিজেকে নিয়ে তামাশা করে,ছোট বলে খোটা দেয়।অথচ বন্ধুদের মধ্যে সেই সব থেকে

মমতার বন্ধন

শীতের বিকেল।আকাশের সুর্য যে রোদ ছড়াচ্ছে তা উষ্ণতার জন্য যথেষ্ট নয়।বিশেষ করে কক্সবাজারের আবহাওয়াটাও অন্যরকম।আমার বন্ধু উইলহেমের আমন্ত্রনে ঢাকা থেকে আরও তিনজন বন্ধুকে সাথে নিয়ে

বসন্ত এসেও আসেনি

বসন্তের গল্প শুনবেন? ভালোবাসা দিবসের গল্প? প্রেম আসা না আসার গল্প? এই গল্পটা আমার বন্ধু মাহমুদের। নির্ঝর আবাসিক এলাকায় আমাদের বাসা।মাহমুদও ওখানেই থাকে। ওর বাবা

উজবেক কবি ও আমি

কথা বলতে গিয়ে আমি একটি প্রশ্নের মূখোমুখি হলাম।তিনি জানতে চাইলেন আপনিকি কবিতা লেখেন? আমি বললাম কবিতা লিখি না।তিনি তখন আমাকে দ্বিতীয় প্রশ্নটি করলেন। অবাক হয়ে

ভাবনায় ছিলোনা এমন

ফুটপাত ধরে একাকী হাটছি।হঠাৎ একটি কালো পাজেরো গতি কমিয়ে আমার পাশে পাশে চলতে শুরু করলো।আমি ভাবলাম গাড়ীটা থামবে তাই গতি কমিয়েছে।পরে দেখলাম গাড়ীর কাচ নামিয়ে

আমাদের দেখা হয়েছিল

একবারই আমাদের দেখা হয়েছিল না না একবার নয়,দুইবার শীতের শেষ বিকেলে সুর্য ডুবে গিয়ে যখন সারা আকাশ জুড়ে কুয়াশা নেমে আসছে তখন কোন এক যান্ত্রিক

কথা দিতে পারি

তুমি আমায় কোন অনুরোধ করো না তুমি অনুরোধ করো এটা আমি মানতে পারি না আমার কাছে কেন তুমি অনুরোধ করবে? আমি চাই তুমি দাবী নিয়ে

আমার মৃত্যু হোক একবারই

জীবন মাত্রই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে বাধ্য এটা একটি অমোঘ সত্য এবং এর কোন পরিবর্তন নেই।জন্ম হলে তাকে একদিন মৃত্যুবরণ করতেই হবে।মৃত্যু বিষয়ে ভাবতে গিয়ে

কচুরিপানার খাল

বিকেলে ফুটবল খেলতে গিয়ে রোজ একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটতো কলেজে।এ ফর্মের কারো পা থেকে বল গিয়ে যদি কোন ভাবে ইকরামের পায়ে ঠেকতো তাহলে সেই চিরচেনা