চারিত্রিক সনদপত্র ও অন্যান্য

বিকেল গুলো এখন বিষন্ন হয়ে উঠেছে।রাত জেগে ফেসবুক ইউটিউবে ঘুরাঘুরি করে সকালে ঘুমোতে গেলে ঘুম ভাঙে দুপুরে।যতক্ষণ ঘুমিয়ে থাকি কোন চিন্তা নেই কিন্তু বিকেল যেন

চারিত্রিক সনদপত্র ও অন্যান্য

বিকেল গুলো এখন বিষন্ন হয়ে উঠেছে।রাত জেগে ফেসবুক ইউটিউবে ঘুরাঘুরি করে সকালে ঘুমোতে গেলে ঘুম ভাঙে দুপুরে।যতক্ষণ ঘুমিয়ে থাকি কোন চিন্তা নেই কিন্তু বিকেল যেন

চিঠিওয়ালার খোঁজে

—জাজাফী কোটালিপাড়া বাস স্ট্যান্ড থেকে একটু অদুরেই সুন্দর পরিপাটি পোষ্টঅফিস।মোবাইল ইন্টারনেটের যুগে এখন আর কেউ তেমন একটা চিঠি লেখেনা বলেই পোষ্টঅফিসটাকে পরিত্যাক্ত মনে হয়।মানুষ মনে

মানিক জেনারেল স্টোর

–জাজাফী মধুমিতা রোড দিয়ে ঢুকে একটু সামনে এগোতেই হাতের ডানে মোড় নিয়েছে একটি সরু গলি।গলির এই রাস্তাটি আরিচপুরের মধ্য দিয়ে সোজা গিয়ে মিশেছে টঙ্গী বাজারে।আইসক্রিম

ফজ মেশিনের আবেদন

আশরাফ ভাই চায়ের দাওয়াত দিয়েছিলেন ওনার অফিসে।দেশের একটি প্রথম শ্রেনীর ব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট তিনি।অনেক দিন দেখা হয়না তাই ভাবলাম গিয়ে চায়ের আড্ডায় শামিল হই।একই সাথে

ছোটলোক

বাড়ি যাচ্ছি। কাঁধে ছোট্ট একটি ব্যাগ,ভিতরে বলার মত তেমন কিছু আছে বলে মনে পড়ছে না। আইডি কার্ডটা যদি বলার মত কিছুর তালিকায় ধরা হয় তাহলে

কাগজের উড়োজাহাজ

আনন্দবাজার পত্রিকার সম্পাদক অনেকক্ষণ হলো আমার বৈঠকখানায় বসে আছেন। পুজো সংখ্যার জন্য আমার একটা গল্প দেওয়ার কথা ছিল। তিনি ঐ গল্পটার জন্য জায়গাও খালি রেখেছেন।আমি

চিকিদের দুঃসময়ের গল্প

জন্মের পর চিকি ওর মা বাবাকে দেখেনি। ওর জন্মের এক সপ্তাহ আগে ওর বাবাকে মেরে ফেলা হয়েছিল। যেদিন চিকির জন্ম হল সেদিনই ওর মাকেও খুন

যাদুকরের প্রথম দিন গুলি

ছয় বছর বয়সী ছেলেটা বাবার মুখের দিকে তাকিয়ে মুগ্ধ হতো।বাবা তখন ছয় বছর বয়সী ছেলেকে খুশি করার জন্য যাদুর কাঠি হাতে সামনে এসে দাড়াতো।যাদুর কাঠি

ইবনের বাবা

প্যারেন্টস ডে তে সবাই বাবা মাকে নিয়ে আসলেও ইবন বাবা মাকে প্যারেন্টস ডের কথা বলেইনি।ইবন ক্লাস ফোরে পড়ে।সবাই যখন অডিটোরিয়ামে বাবা মায়ের সাথে আড্ডায় মেতে