ক্যাডেটের বাড়ি ফেরা

ট্রেনে ওঠার পর থেকে প্রান্তর যেন হাসি আর থামেইনা। যখন বাসায় ঢুকেছি তখনো সে হো হো করে হাসছে।আম্মু ওর হাসি দেখে অবাক হয়ে জানতে চাইলেন

তবুও মনে থাকবে

পাহাড়ের ঢাল বরাবর শহর থেকে একটি রাস্তা উত্তর দিকে চলে গেছে।দুই পাশে সবুজ চা বাগান চোখ জুড়িয়ে দেয়।এই পথ দিয়েই বিমানবন্দরে যেতে হয়।মালনিছড়া চা বাগান

ভ্যাকেশানে গেমস প্রস্তুতি

আন্তঃহাউজ গেমস কম্পিটিশান ঘিরে তিন হাউজে সাজসাজ রব পড়ে গেছে।জুনিয়রদের দিকে সিনিয়রেরা একটু বেশিই মনোযোগী। ওদের পারফরমেন্সের উপর হাউজের চ্যাম্পিয়ন হওয়া না হওয়া অনেকটাই নির্ভর

স্মৃতিগুলো ভেসে ওঠে নিরব অশ্রুপাত

দেখতে দেখতে ছয়টা বছর পেরিয়ে গেলো।মাত্র কয়েক ঘন্টার ব্যবধানে নামের আগে এক্স শব্দটি জুড়ে দেওয়া হবে।কম বেশি সবার মনটাই বিষন্ন।ক্যাডেট থেকে এক্স ক্যাডেট হওয়ার ক্ষণিক

কচুরিপানার খাল

বিকেলে ফুটবল খেলতে গিয়ে রোজ একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটতো কলেজে।এ ফর্মের কারো পা থেকে বল গিয়ে যদি কোন ভাবে ইকরামের পায়ে ঠেকতো তাহলে সেই চিরচেনা

তোফায়েলের প্যারেন্টস ডে

রাতে কারো ঘুম আসছিলনা। লাইটস আউটের ঘন্টা বাজলেই বা কার কি। চিন্তা একটাই কালতো প্যারেন্টস ডে।ক্যাডেট লাইফে প্যারেন্টস ডে মানেই ক্যাডেটদের ঈদের দিন।হয়তো আমারও। কিন্তু

বোকা ক্যাডেটের গল্প

কলেজ ছুটি হয়ে গেছে।বরাবরের মতই ভ্যাকেশানের দিনগুলো কাজে লাগাতে চায় ক্যাডেট সজল ।সজল আমার খুব ভাল বন্ধু।হাওড় অঞ্চলে বাড়ি হওয়ায় জেলে না হয়েও ওরা জন্ম

ফারহানা আপুকে দেখতে এসেছিল

#এক্স_ক্যাডেট ফারহানা আপুকে দেখার জন্য ছেলেপক্ষ এলো বাড়িতে।ছেলের ভাই বোন ভাবি দাদা এসেছিল,সাথে ছেলেও ছিল। ফারহানা আপুকে দেখে তাদের পছন্দ হলো।গতানুগতিক ভাবে ওকে প্রশ্নও করা