সন্তানের ভবিষ্যত নিয়ে আমরা কতটা ভাবছি?

  সন্তানের ভবিষ্যত নিয়ে সব বাবা মাই চিন্তামগ্ন থাকে।কিন্তু আমার মনে হয় সন্তানের ভবিষ্যতের চেয়ে আজকালকার বাবা মায়েরা নিজেদের কথাই বেশি ভাবে।যদিও আমি জানি এবং

সন্ত্রাসবাদ

  আধুনিক সভ্যাতার চরম উৎকর্ষতার এই যুগে বিশ্বের প্রায় তিনশোকোটি মানুষ দারিদ্রসীমার নিচে বাস করে। বর্তমান বিশ্ব ক্ষুধা,দারিদ্র,অপুষ্টি,নিরক্ষরতা,জনসংখ্যার বিস্ফোরণ ইত্যাদি সমস্যায় জর্জরিত। কিন্তু সব কিছুকে

অগ্নিকান্ডঃ কারণ,প্রতিকার এবং কিছু দাবী

  আমাদের জীবন আজ আনন্দ বেদনার মহাকাব্য হয়ে গেছে।আমরা প্রতিনিয়ত খুশির সওদা করতে গিয়ে এক সমুদ্র দুঃখ নিয়ে ফিরে আসছি। সেই দুঃখ আজীবন বয়ে বেড়াচ্ছে

অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ

মানুষ তার স্বপ্নের সমান বড়। যে স্বপ্ন দেখতে জানে এবং সেই স্বপ্নটাকে সত্যি করতে আপ্রাণ চেষ্টা করে সে সফল হয়। তার স্বপ্নটা সত্যি হয়ে নীল

কেউ কথা রাখেনি

বাঙালীর মূখে বুলি ফুটেছে।এখন সে অনর্গল কথা বলে যাচ্ছে।তবে সেই সব কথা প্রগল্ভতায় ভরা।বাঙ্গালীর নতুন নাম দেওয়া যেতে পারে কথা বলার বাঙ্গালী। তবে কথারও লিমিট

পৃথিবীতে শান্তি বিরাজ করুক

সম্প্রতি ফ্রান্সে যে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড ঘটেছে তা নিয়ে সারা বিশ্বে নিন্দা ক্ষোভ প্রকাশের মহড়া দেখা গেছে।সেই ধারা অব্যাহত ছিল বাংলাদেশীদের মধ্যেও। এটা অবশ্যই স্বাভাবিক যে,যে

দূরের সৌন্দর্য

একটু ভেবে দেখুন হয়তো আপনার ঘরের পুব দিকের জানালাটা খুললেই ফুরফুরে বাতাস আপনাকে মুহুর্তেই শীতল করে দেয়।বাইরে তাকাতেই আদিগন্ত খোলা মাঠ,নীল আকাশ।রোজ সকালে একবার করে

বাঙ্গালীর ধৈর্য

হতাশাবাদীরা উদয়মান  সূর্যকে মনে করে অস্তগামী।হাতাশার চাদরে তারা এমনভাবে জড়িয়ে আছে যে সেখান থেকে আর বেরিয়ে আসতে পারছেনা। তাদের সামনে একটা গ্লাসের অর্ধেক পানি পূর্ণ

বাংলা প্রীতি

সুদূর অতীতে এই দেশে এসে মুগ্ধতা নিয়ে ফিরে গিয়েছিলেন চৈনিক পরিব্রাজক ফা হিয়েন। মরোক্কো থেকে নানা দেশ ঘুরে বাংলাদেশে এসে মুগ্ধ বিস্ময়ে হতবাক হয়ে গিয়েছিলেন

একটি স্বপ্নের মৃত্যু

  মানুষের স্বপ্ন বার বার বদলায়। যেমন বদলেছিল বাঙ্গালীদের স্বপ্ন। শুরুটা কত আগে হয়েছিল তা হয়তো আমাদের জানা নেই। তবে সাধারণ ভাবে বলতে গেলে ১৭৫৭