জাজাফী উপন্যাস,ক্যাডেট স্মৃতি রঙ্গীন ফানুস-শেষ চ্যাপ্টার

রঙ্গীন ফানুস-শেষ চ্যাপ্টার

(মাঝের চ্যাপ্টার গুলো এখনো কম্পোজ শেষ হয়নি)

মিনহাজ ফিরে এসে দেখলো সারা বাড়ি লোকারণ্য।আজতো কোন উৎসব নেই এ বাড়িতে।তাহলে এতো মানুষ জড় হয়েছে কেন?দূর থেকে ভেসে আসছে কারো না কারো কান্নার শব্দ।প্রতিটি কান্নার শব্দই শেল হয়ে বুকে বেঁধে।চারদিকে তাকায় মিনহাজ।উঠোনের এক কোণায় একটা খালি খাট।কয়েকজন মিলে তার উপরে একটা মশাড়ি টাঙ্গিয়ে দিয়েছে।একজন ঘর থেকে কারো একটা চাদর নয়তো কারো একটা শাড়ি এনে সেই মশাড়ি ঘেরা খাটটার চারদিকে ঘিরে দিতে ব্যস্ত।রান্নাঘরের ওখানে একটা বড় হাড়িতে কিছু একটা রান্নার চেষ্টা চলছে।নাকি পানি গরম করছে তা তার জানা নেই।দক্ষিণের বারান্দায় ঠেস দিয়ে বসে আছে বাবা।বাবার মুখে কোন হাসিনেই।মা কোথায় তাও জানা নেই মিনহাজের।হয়তো ভিতরে নিজের রুমে আছেন।

গোয়াল ঘরের দিকে চোখ পড়তেই দেখতে পেলো গরু গুলো হাম্বা হাম্বা করে ডাকছে।এতো বেলা হয়েছে তার পরও কেউ গরু গুলো কেন গোয়াল থেকে বের করেনি তা সে বুঝতে পারছেনা।দুটো মটর সাইকেল এসে থামলো উঠোনে।মোটর সাইকেল থেকে নামলেন ছোট ফুপা আর তার তিন ছেলে।তাদের চোখ ছলছল করছে।সব কিছু পিছনে ফেলে সে একটা একটা সিড়ি মাড়িয়ে দাদার রুমের দিকে এগোতে থাকে।

মিনহাজের মনে আজ অনেক আনন্দ।দাদার স্বপ্ন পুরনের আনন্দ।এই মুহুর্তে মিনহাজের হাতে যে খামটি আছে সেটা হাতে পেলে দাদার চোখ নিশ্চিত অশ্রুতে ভিজে উঠবে।খামের মাঝে যে চিঠিটি আছে সেটি দাদা নিশ্চই পরম মমতায় বুকের সাথে চেপে ধরবে।সেটা দেখার চেয়ে আনন্দের কোন দৃশ্য এই পৃথিবীতে আছে বলে মনে করেনা মিনহাজ।এই দিনটির জন্য সে কত দিন অপেক্ষা করেছে।সেই অপেক্ষাটা শুরু হয়েছিল ক্লাস সিক্সে পড়ার সময় থেকে।নাহ ভুল বলেছি এটা শুরু হয়েছিল মিনহাজের জন্মের অনেক আগে থেকে এমনকি মিনহাজের বাবার জন্মেরও অনেক আগে থেকে।

একটা স্বপ্নের অনেক বয়স।যে স্বপ্নটার জন্ম হয়েছিল তার এবং তার বাবার জন্মের অনেক বছর আগে।স্বপ্নটা একদিন দাদার একার ছিল।তার পর যেন পৈত্রিক সুত্রে সেই স্বপ্নটা বাবার মধ্যে বেড়ে উঠতে শুরু করলো।দিনে দিনে এক সময় সেটা মিনহাজের মধ্যে ভর করলো।স্বপ্নটা তাকে তাড়া করে ফিরতো।মনে পড়তো এ পি জে আবদুল কালাম আজাদের কথা।তিনি বলেছিলেন “স্বপ্ন তাই যা তোমাকে ঘুমাতে দেয়না”। সত্যি সত্যিই স্বপ্নটা মিনহাজকে ঘুমাতে দেয়নি।কত যে বিনিদ্র রজনী কেটেছে তার কোন হিসেব নেই।

পা বাড়ালেই দাদার রুমের দরজা পেরিয়ে সে দাদার খাটের কাছে চলে আসবে।দাদার রুমের দরজাটা খোলা।মনে হচ্ছে ভিতরে অনেক মানুষের উপস্থিতি।আলো জ্বলছে আর কেউ একজন সুর করে আল কুরআন তিলাওয়াত করছে।তিলাওয়াত খুব সুরেলা হচ্ছে।দূর থেকে যে কান্নার শব্দ ভেসে আসছিল সেটার সাথে আল কুরআনের তিলাওয়াতের সুর মিলিয়ে মিনহাজের কানে অন্যরকম শোনাচ্ছে।কে কাদছে কিংবা কে তিলাওয়াত করছে সেসব দেখার সময় মিনহাজের নেই।তার প্রথম কাজ হলো দাদার হাতে খামটি ধরিয়ে দেওয়া।দাদাকে বলা এই দেখো দাদা তোমার জন্য আমি স্বপ্ন সত্যি করে নিয়ে এসেছি।

মিনহাজ যখন দাদার রুমের দরজায় পা রেখেছে তখন মসজিদের মাইকের শব্দ ওর কানে ভেসে আসলো।মিনহাজ সেই শব্দে স্থির হয়ে গেল।ওর চলার শক্তি যেন মুহুর্তে হারিয়ে গেছে।ঘোষক ঘোষনা করে চলেছেন ‘একটি শোক সংবাদ,একটি শোক সংবাদ,অত্র গ্রামের সবর্জন শ্রদ্ধেয় মুক্তিযোদ্ধা জনাব শফিউল আলম আর নেই’।

ঘোষকের আর কোন কথা মিনহাজের কানে ঢুকলো না।তার চোখে শ্রাবণ ধারা নেমে এলো।সে যেন মুহুর্তেই শরীরের সব শক্তি হারিয়ে ফেললো।ছোট ফুপা এসে তাকে ধরে ধরে দাদার বিছানার পাশে নিয়ে বসালেন।দাদা শুয়ে আছেন।দাদার খাটটা আজ ঘুরিয়ে নেওয়া হয়েছে।আগে দাদার খাট ছিল পুর্ব পশ্চিম বরাবর।আজ সেটা উত্তর দক্ষিণমূখী।এখন শীত কাল নয় কিন্তু দাদাকে চাদর দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে।মুখের উপর থেকে চাদরটি সরাতেই দাদার মুখটি ভেসে ওঠে মিনহাজের চোখে।সেই চোখ বন্ধ,সেই ঠোটে এখনো হাসি লেগে আছে।চলে যাবার আগে দাদা কি কোন ভাবে অনুভব করতে পেরেছিল তার নাতি ছেলে মিনহাজ তার দেখা স্বপ্ন পুরণ করে তার কাছে ছুটে আসবে।

দাদার বিছানার পাশে একটা ডায়েরি।চুরানব্বই বছর বয়স হয়েছিল দাদার।যে বয়সে মানুষ বিছানা ছেড়ে উঠতেই পারেনা কিংবা যে বয়সে মানুষ বেচেই থাকেনা সেই বয়সেও দাদা ঠিকই হেটে বেড়াতেন।চোখে বেশ ভালই দেখতেন আর নিয়ম করে ডায়েরি লিখতেন।মিনহাজ ভার্সিটি থেকে গ্রামে ফিরলে পাশে বসেয়ে দাদা তার ডায়েরি পড়ে শোনাতেন। সেই ডায়েরি শোনা শুরু হয়েছিল মিনহাজ যখন খুব ছোট তখন থেকে।ডায়েরির সেই কথাগুলো ক্রমে ক্রমে মিনহাজের বুকের মধ্যে একটা স্বপ্নের জন্ম দিয়েছিল।সেই স্বপ্নটা পুরণ করতে মিনহাজের অনেক বছর লেগে গিয়েছে ঠিকই কিন্তু স্বপ্নটা পুরণ হয়েছে।শেষ দিন গুলিতে দাদা কি লিখেছেন তা মিনহাজ জানেনা।

ভেজা চোখে ডায়েরিটা হাতে নেয় মিনহাজ।ডায়েরিটা খোলার আগে বুকের সাথে একবার চেপে ধরে সে।এই ডায়েরিতেই যে জড়িয়ে আছে তার দাদার স্বপ্নের কথা,জড়িয়ে আছে তার বাবা এবং তার নিজেরও স্বপ্নের কথা।বুকের সাথে এমন ভাবে জড়িয়ে ধরে যেমন করে এক বাবা তার ছেলেকে জড়িয়ে ধরে,এক প্রেমিক তার প্রেমিকাকে জড়িয়ে ধরে কিংবা তার চেয়েও বেশি মমতায়।সেই সাথে অবিরাম ঝরতে থাকে তার দুচোখের জল।

ডায়েরির ভাজে একটা কলম রাখা।ওখানেই হয়তো দাদার লেখা শেষ কথা গুলো শোভা পাচ্ছে।ভেজা চোখে ঝাপসা হয়ে আসা ডায়েরির পাতায় আটকে আছে মিনহাজের দৃষ্টি।ফুপা সহ আরো কতগুলো চোখ সেখানে অপলোক তাকিয়ে আছে।চোখের অশ্রুত মুছতে মুছতে সেদিকে তাকিয়ে থাকে মিনহাজ।

“চুরানব্বইটা বছর পার হয়ে গেল।যে বয়সে আমার বন্ধুরা,খেলার সাথীরা কিংবা পরিচিতজনেরা আকাশের ওপারে চলে গেছে কিংবা কেউ কেউ বিছানায় শুয়ে শেষ বিদায়ের অপেক্ষা করছে আমি সে বয়সে স্বপ্নের কথা লিখছি।রাবার টেনে লম্বা করা যায় কিন্তু তারওতো একটা সীমা আছে।স্বপ্ন দেখা যায় এবং সেই স্বপ্নটাকেও টেনে নেওয়া যায় কিন্তু আমার জানা নেই সেই স্বপ্নটা ঠিক কতদূর টেনে নেওয়া যায়।আমার স্বপ্নটা আমি বুকে ধরে রেখেছিলাম।এখন মনে হচ্ছে স্বপ্নটাকে বাচিয়ে রাখার সময় বুঝি শেষ।যে স্বপ্নটা আমি বাচাতে পারিনি আমার কৈশরে,যৌবনে এবং যে একই স্বপ্ন বাচিয়ে রাখতে পারেনি আমার সন্তান তার কৈশর,যৌবনে সেটা একই ভাবে পারেনি মিনহাজ ওর শৈশবে।তবে কি একই ভাবে ওর যৌবনেও ও স্বপ্নটাকে বাচিয়ে রাখতে পারবেনা?

মিছেই স্বপ্নের পিছে ছুটে বেড়িয়েছি।আর নিজের স্বপ্নটাকে মিছেই সন্তান এবং তার সন্তানের ঘাড়ে চাপিয়ে দিয়েছি।চুরানব্বইটা বছর যে স্বপ্নটাকে বুকে আগলে রেখেছিলাম সেই স্বপ্নটাকে আর বয়ে নিতে ইচ্ছে হচ্ছেনা।বয়ে নিয়ে লাভইবা কি।স্বপ্নরাতো মরে যায় অল্পতেই কিন্তু আমার স্বপ্নটাতো বেচে ছিল অনেক দিন,অনেক মাস এবং অনেক বছর।এখন সময় হলো স্বপ্নটাকে মুক্তি দেয়ার।সময় হলো সন্তান এবং তার সন্তানকে স্বপ্ন বয়ে বেড়ানোর বোঝা থেকে মুক্তি দেয়ার।মানুষের সব স্বপ্ন পুরণ হয়না তাই আমিও না হয় ভেবে নেব এই স্বপ্নটা অপুরনীয় থাকুক।মিনহাজকে যখন এই লেখাটুকু শোনাবো তখন ও নিশ্চই বলবে দাদা আরো কিছুদিনতো বাকি আছে।আরো কিছুটা পথ যেতে দাও তোমার স্বপ্নটাকে।দেখবে নিশ্চই আমি স্বপ্নের পায়ে রশি বেধে তোমার সামনে নিয়ে আসবো।মিনহাজের কথা শুনে আমার ভাল লাগবে কিন্তু আমি ওকে বলবো, না দাদু ভাই জীবন কোন ছোট খাট বিষয় নয় যে সারাজীবন শুধু একটা ঠুনকো স্বপ্নের পিছনে কাটিয়ে দেবে।এই জীবনে আরো কত কিছু করার আছে।শুধু একটি স্বপ্নকে নিয়ে পড়ে থাকলে জীবনের ষোল আনাই বাকি রয়ে যাবে।যেমন আমার জীবনের ষোলআনাই মিছে হয়ে গেছে একটা স্বপ্নের পিছে ছুটে।

মরুভূমিতে পিপাসিত পথিকের বার বার মনে হয় ওইতো দূরে সীমাহীন সমুদ্রে জল থৈথৈ করছে।পিপাসিত পথিক জানেনা সে যে সমুদ্র দেখছে সেটা আসলে মরিচিকা।জীবনের চুরানব্বইটা বছর পার করার পর আমি উপলব্ধি করছি আমার স্বপ্নটাও মরুভূমিতে দেখা মরিচিকার মত।মরিচিকার পিছনে ছুটে কেবল ক্লান্ত হওয়া ছাড়া আর কিছুই পাওয়া যায়না।

তবে যে স্বপ্নটা আমি দেখেছিলাম তার মধ্যে ভালবাসা ছিল।সেই ভালবাসাই আমাকে দীর্ঘদিন বাচিয়ে রেখেছে,বাচতে সাহায্য করেছে।মানুষের বুকের মধ্যে স্বপ্ন না থাকলে সে বেচে থাকেনা।স্বপ্নহীন জীবন কোন জীবন নয়।যেদিন কারো জীবনের স্বপ্ন গুলো শেষ হয়ে যায় মূলত সেদিন সেও আর থাকেনা। আমার একটা স্বপ্নই আমাকে প্রেরণা দিয়েছে বাচিয়ে রেখেছে।সেই স্বপ্ন এখন ছুটে যেতে চায় সুদুরে।যে যেতে চায় তাকে বেধে রাখার সাধ্য আমার নেই।তাই ছুটি দিয়ে দিয়েছি স্বপ্নটাকে।যেহেতু এখন আর কোন স্বপ্ন বেচে নেই।যেহেতু আমার রঙ্গীন ফানুস আজ আকাশে উড়ে গেছে সেহেতু আমি আজ সদ্য জন্ম নেওয়া শিশুর মত।যার নিজের বলতে কিছু নেই।কিন্তু শিশুটির অপেক্ষার সাথে সাথে সে অনেক কিছু পায় আর আমার অপেক্ষাতো কেবল একটা আহ্বানের জন্য। সেই আহ্বান এলে স্বপ্নের রঙ্গীন ফানুসের মত আমিও উড়ে যাবো।আসার সময় একটা ফিরে যাওয়ার টিকেট সাথে করে নিয়ে এসেছিলাম।শুধু জানা হয়নি ফিরতি ট্রেন কবে কোন স্টেশান থেকে ছাড়বে”।

মিনহাজের চোখের জলে ভিজে গেছে দাদার হাতের ছোয়া লাগা ডায়েরির পাতা গুলো।ভিজে আছে বাকিদের চোখ।দাদা তার রঙ্গীন ফানুস উড়িয়ে দিয়ে নিজেও রিটার্ন টিকেটের ট্রেনে চেপে বসেছে।বাম হাতে ধরে রাখা খামের ভিতর থেকে মিনহাজ একটি চিঠি বের করে।গোটাগোটা অক্ষরে তার নাম লেখা।একদম নিচেয় লেখা ক্যাডেট কলেজ পরিচালনা পর্ষদ।মিনহাজ মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজে পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক পদে নিয়োগ পেয়েছে।এমন একটা সময়ে সে চিঠিটা হাতে পেয়েছে যখন তার দাদার রঙ্গীন ফানুস উড়তে উড়তে অনেক দূরে চলে গেছে।কৈশরে দাদা ক্যাডেট কলেজে পড়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন কিন্তু স্বপ্ন স্বপ্নই থেকে গেছে।যৌবনে ক্যাডেট কলেজের শিক্ষক হয়ে সেই স্বপ্নটা পুরণ করতে চেয়েছিলেন তাও হয়নি।একটু একটু করে স্বপ্নটা মরে যেতে চাইলেও তিনি মরতে দেন নি।তার সন্তান ক্যাডেট কলেজে ভর্তি হবে আর তিনি প্যারেন্টস ডেতে এবং অন্যান্য সময়ে সেখানে যাবেন সেই স্বপ্নও দেখেছেন।মিনহাজের বাবাও সেই স্বপ্ন পুরণ করতে পারেন নি।একই ভাবে পারেনি মিনহাজ নিজেও।কিন্তু দাদার স্বপ্নটা মিনহাজকে প্রতিনিয়ত মনে করিয়ে দিত।নিজ থেকে সেই স্বপ্নটা আকড়ে ধরেছিল।যখন সে মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজের শিক্ষক পদে নিয়োগের চিঠিটা হাতে পেলো তার কতইনা আনন্দ হলো।দাদাকে চিঠিটা দিয়ে বলবে দাদা তোমার স্বপ্ন আমি সত্যি করেছি।তুমি এবার ক্যাডেট কলেজে যাবে,ঘুরে দেখবে,যে সবুজ চত্ত্বর ঘিরে তোমার অবিরাম ভালবাসা মিশে আছে।কিন্তু নিয়তি তা হতে দেয়নি।মিনহাজ তার দাদাকে চিঠিটা দিতে পারেনি,দাদাকে তার স্বপ্নের সবুজ চত্ত্বরে নিয়ে যেতে পারেনি।যদি রঙ্গীন ফানুসই উড়ে যায়,যদি ঘুড়ি সুতো ছিড়ে আকাশে উড়ে যায় তবে শুধু লাটাই ধরে রেখে লাভ কি।

মিনহাজের হাতে ধরে রাখা ক্যাডেট কলেজ থেকে আসা চিঠিটি সে ছিড়ে ফেলে।যে সবুজ চত্বরে সে তার দাদাকে নিয়ে যেতে পারবেনা সে চত্ত্বরে যাওয়ার কোন ইচ্ছেই তার নেই।তার শুধু মনে পড়ে দাদার লেখা কবিতার সেই কথা গুলো—

“তোমার জন্য সব ভালবাসা সবটুকু প্রেম জমা

ভুলকরে যদি ভুলকরি কভু নিজগুনে দিও ক্ষমা ।

মির্জাপুরিয়ান নাম দিয়ে তুমি আমাকে করেছ ঋণী

যেখানেই থাকি তোমাকে আমরা ভুলবোনা কোন দিনই।

তোমার জন্য তাই আমাদের এতো মায়া এতো টান

মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজ চেতনার আরেক নাম।।

আওয়াজ শুনি প্যারেড গ্রাউন্ডে লেফট রাইট ডান বাম”।

৬ ডিসেম্বর ২০১৬