চৈমনি রাজ্যের সত্যিকারের রাজপুত্র

— তাসনুভা চৌধুরী একটা রাজার ১মাত্র ছেলে ১মাত্র মেয়ে। একদিন বেড়াতে গেলো সমুদ্রে। সেখানে একটা দ্বীপে তারা নামলো তার ছোট ছেলের জন্মদিনের উৎসবের জন্য। হঠাৎ

তাঁকে কি চোর বলা ঠিক হবে?

রোজই কারো না করো বাড়িতে চুরি করতো লোকটি।বলতে গেলে কোন দিন খালি হাতে তাকে ফিরতে হত না।চুরি করা দ্রব্যাদি সে চোরাই মার্কেটে বিক্রি করে যা

ছোটমামার পান্তা ইলিশ খাওয়ার গল্প

ছোট মামা বাংলা নববর্ষ উপলক্ষ্যে কদিন আগেই পুরো পরিবার সহ আমেরিকা থেকে বাংলাদেশে এসেছেন।তিনি সিদ্ধান্ত নিয়েছেন আমাদের সব কাজিনদের নিয়ে রমনাতে যাবেন আর উৎসব করে

এক হাজার টাকার কয়েন

রশনি দৃতির খুব ভালো বন্ধু।পুরো ক্লাসের মধ্যেই রশনি খুব ভালো।ক্লাসে কেউ কারো সাথে ঝগড়া করলে রশনি এগিয়ে আসে এবং সেই ঝগড়া থামিয়ে দেয়।পড়াশোনা,খেলাধুলা সব কিছুতেই

নেতার আদর্শ

খুব ভোরে ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাসটা বরাবরই ধরে রেখেছেন।৩০ ডিসেম্বর সকালে ঘুম থেকে উঠে বারান্দায় কিছুক্ষণ হাটাহাটি করে ইজি চেয়ারে বসলেন।বয়স ৯৭ বছর হয়ে গেলেও

শানের নতুন সাইকেল

বাসায় ফিরে আসার পর দেখি শানের জন্য বাবা নতুন একটা সাইকেল কিনে এনেছে।সাইকেলটা খুবই সুন্দর।শান সেটা নিয়ে সারা রাস্তা দাপিয়ে বেড়াচ্ছে।তার সাথে জুটেছে তার কিছু

জিনিয়াস

লেখকঃ নুসরাত জাহান মুনিরা বিকেলটা খুব সুন্দর ছিলো।ফুরফুরে হিমেল হাওয়ায় খোলা চুল উড়ছিলো।আম্মু বলার পরও সেদিন আমি দুই বেণী করিনি।কেউ কেউ আছে যারা চুলে দুটো

তিন শহরের টান

ক্লাসে মন বসছিলো না।শেষে দুপুরের আগেই বাসায় ফিরে এলাম।গত বছর ৯ মার্চের কথা।আমাদের বাসা মহম্মদপুরের নুরজাহান রোডে।বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফিরে সাধারণত বিকেল থেকে সন্ধ্যা পযর্ন্ত বন্ধুরা

আমি কিছু লিখিনি

নভেম্বরের ২৭ তারিখ বিকেলে হঠাৎ বদরুলের ফোন।ও সাধারণত আমাকে খুব একটা ফোন করেনা।সারাক্ষণই নিজেকে নিয়ে তামাশা করে,ছোট বলে খোটা দেয়।অথচ বন্ধুদের মধ্যে সেই সব থেকে

মমতার বন্ধন

শীতের বিকেল।আকাশের সুর্য যে রোদ ছড়াচ্ছে তা উষ্ণতার জন্য যথেষ্ট নয়।বিশেষ করে কক্সবাজারের আবহাওয়াটাও অন্যরকম।আমার বন্ধু উইলহেমের আমন্ত্রনে ঢাকা থেকে আরও তিনজন বন্ধুকে সাথে নিয়ে

1 2 3 6