ক্রাইস্ট দ্য রিডিমার বনাম বঙ্গবন্ধু

জাজাফী

ব্রাজিলের রিওডিজেনিরো শহরটির কথা মনে আসলেই সব থেকে আগে চোখে ভেসে ওঠে যে স্থানটি সেটি ক্রাইস্ট দ্য রিডিমার।পাহাড়ের উপর দুই হাত প্রশস্থ করে দাড়িয়ে আছে বিশাল এক পাথরের ভাস্কর্য যেটির নাম ক্রাইস্ট দ্য রিডিমার।ব্রাজিলে গেলে কোন পযর্টকই এই স্থাপত্যশিল্প না দেখে ফিরে আসেনা।পযর্টকদের প্রধান আকর্ষণ হয়ে উঠেছে ক্রাইস্ট দ্যা রিডিমার।ব্রাজিলীয়রা মনে করে পাহাড়ের উপর স্থাপিত যিশুখ্রিষ্টের দুই হাত প্রশস্থ করে রাখা ভাস্কযর্টি যেন তার প্রশস্থ হাত দিয়ে পুরো শহরটাকেই আগলে রেখেছে।

ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণের বিশ্ব স্বীকৃতি মিলেছে।পৃথিবীর অগণিত পযর্টক যখন আমাদের দেশে আসবে তখন সেই স্মৃতি বিজড়িত স্থান সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে হয়তো কেউ যাবে কেউ যাবে না।কারণ তাদের দৃষ্টি আকর্ষণের মত তেমন কিছু সেখানে খুঁজে পাবেনা ভেবেই তারা আগ্রহ হারাবে।যদিও সেখানে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি যাদুঘর এবং শিখা অনিবার্ণ রয়েছে তার পরও সবার আগ্রহ আসবে না।

রিওডিজেনিরো শহরের সাথে ঢাকা শহরের বিস্তর পার্থক্য।ওই শহরটা পাহাড় অরণ্যে ঘেরা পক্ষান্তরে আমাদের ঢাকা শহরের একশো কিলোমিটার আসেপাশেই কোন পাহাড় এমনকি উচু টিলাও নেই।ফলে দূর থেকে চোখে পড়ার মত তেমন কিছু নেই এখানে।আমি অনেকদিন থেকে ভেবেছি সোহরাওয়ার্দি উদ্যানের যে স্থানে দাড়িয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর ঐতিহাসিক ভাষণ দিয়েছিলেন সেখানে একটি সুউচ্চ টাওয়ার স্থাপন করা উচিত এবং সেই টাওয়ারের উপরে থাকবে তর্জনী উচু করা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একটি ভাস্কর্য।টাওয়ারটির উচ্চতা যদি কোন ভাবে ২০ তলা ভবনের সমান করা যায় এবং বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যটি যদি ৩০ ফুট উচু করা যায় তবে ঢাকা শহরের যে কোন প্রান্ত থেকেই সেটা চোখে পড়বে।এই দেশে আগত পযর্টকদের প্রধান কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠবে ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণের জায়গাটি।তারা একই সাথে চিনবে সবর্কালের সবর্শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে।এমনকি যে সব দেশী-বিদেশী তাদের প্রয়োজনে ঢাকাতে আসবে তারাও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ঘুরে যেতে চেষ্টা করবে। দেশী বিদেশী যারাই প্লেনে করে বিমান থেকে অবতরণ করবে তাদের চোখে পড়বে বঙ্গবন্ধুর তর্জনী উচু করে দাড়িয়ে থাকা ভাস্কর্যটি।স্বাভাবিক ভাবেই তাদের আগ্রহ হবে স্থানটিতে ঘুরে যাওয়ার।এতে করে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান হয়ে উঠবে অন্যতম পযর্টন কেন্দ্র।

আমরা কোটি কোটি টাকা খরচ করে গিনেস বুকে নাম লেখানোর জন্য অতীতে জাতীয় সঙ্গীত গেয়ে রেকর্ড করেছিলাম যদিও সেই রেকর্ড বেশিদিন টেকেনি।আমরা সাতই মার্চের এই স্বীকৃতি উদযাপন করছি অনেক আনন্দের সাথে।সেখানেও কিছু কিছু অর্থ খরচ হচ্ছে।আমরা কত ভাবে অর্থ অপচয় করছি সেখানে বাঙ্গালীর স্বাধীনতার মহানায়কের স্মৃতি বিজড়িত স্থানে তাঁর একটি সুউচ্চ ভাস্কর্য স্থাপন করা আশা করি আমাদের জন্য কঠিন কিছু হবে না।প্রথম দিকে আমি ভেবেছিলাম ভাস্কর্যটি সংসদভবনের পাশে খামারবাড়ীতে বঙ্গবন্ধু চত্ত্বর নামে যে স্থানটি আছে ওখানে করলে ভাল হবে কিন্তু পরে মনে হলো জায়গাটি এর জন্য যথোপোযুক্ত নয়।সম্প্রতি মহান ভাষণটিকে যখন বিশ্ব স্বীকৃতি দেওয়া হলো তখন মনে হলো এই কাজটির জন্য সবার্পেক্ষা উত্তম স্থান হবে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান।

রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম হওয়ায় এদেশে নানা সময় ভাস্কর্য স্থাপন নিয়ে বাকবিতণ্ডার জন্ম হয়েছে।সম্ভবত শুরুটা হয়েছিল বিমানবন্দর চত্ত্বরে লালনের ভাস্কর্য স্থাপনের সময় থেকে।তার পর সুপ্রিমকোর্টের সামনে স্থাপিত ভাস্কর্যটি নিয়ে যেটা হলো তা রীতিমত সংবাদের প্রধান শিরোণাম হওয়ার যোগ্য।হয়তো অনেকেই মনে করতে পারেন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে একটি সুউচ্চ টাওয়ার নির্মান করে সেটির উপর ক্রাইস্ট দ্যা রিডিমারের মত করে বঙ্গবন্ধুর তর্জনী উচু করা একটি ভাস্কর্য নির্মান করলে আবার এদেশে অরাজকতা তৈরি হবে এবং অগণিত মানুষ ক্ষোভে ফেটে পড়বে।আমি অবশ্য এই কথাটির সাথে একমত নই।এর পিছনে যথেষ্ট যুক্তি রয়েছে।প্রথমত মুসলিম প্রধান দেশ হওয়ায় প্রতিবছর হজ্জ্বের সময় হাজীগন বিমানবন্দর চত্ত্বর দিয়ে হজ্জ্বে যাওয়া আসা করার সময় লালনের ভাস্কর্যটি তাদের চোখে পড়তো এবং সেটিতে তাদের পাপবোধ হত বিধায় তারা সেটিকে অপসারণের দাবী জানিয়েছে।অন্যদিকে সুপ্রিমকোর্টের সামনের ভাস্কর্যটিও সেই একই ধরনের বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে বিশেষত একটি গ্রীক দেবী মুর্তিকে বাঙ্গালী মুসলমানরা গ্রহণ করতে পারেনি।

এই দিক থেকে বঙ্গবন্ধু অবশ্যই ভিন্ন একটি বিষয়।দেশে যে যে দলই করুকনা কেন উপরে যাই বলুকনা কেন ভিতরে ভিতরে বঙ্গবন্ধু ও তাঁর অবদান সম্পর্কে সবাই অবগত এবং শ্রদ্ধাবনত।সোহরাওয়ার্দী উদ্যানকে পৃথিবী কেন একজন বাঙ্গালীও মনে রাখতো না যদি না সেখানে বঙ্গবন্ধু তর্জনী উচু করে ভাষণ না দিতেন এবং সেই ভাষণই বাঙ্গালীর স্বাধীনতার ভীত গড়ে দিয়েছিল।সেদিন বঙ্গবন্ধুর উচ্চারিত প্রতিটি শব্দ বাঙ্গালীকে স্বাধীনতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ করেছিল।ওই স্থানটি তাই বঙ্গবন্ধুর জন্য স্মরণীয় হয়ে গেছে।সুতরাং ওখানে ক্রাইস্ট দ্য রিডিমারের মত বঙ্গবন্ধুর একটি ভাস্কর্য স্থাপন করলে কারো দ্বিমত থাকবে বলে মনে করি না। যদি তাই না হতো তাহলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনের সামনে স্থাপিত অপরাজেয় বাংলা,টিএসসির রাজু ভাস্কর্য থেকে শুরু করে গাজীপুর চৌরাস্তায় স্থাপিত জাগ্রত চৌরঙ্গী কোনটিই টিকে থাকতো না।আমার জানা মতে শুধু মাত্র একবার দাবী উঠেছিল অপরাজেয় বাংলা ভাস্কর্য অপসারণ করতে হবে কিন্তু সেই দাবী ধোপে টেকেনি।এর পর আর কখনো কোন ভাস্কর্য নিয়ে প্রতিবাদ হয়নি।বিশেষত বঙ্গবন্ধুর কোন ভাস্কর্য নিয়ে প্রতিবাদ করারতো কোন প্রশ্নই ওঠেনা।

এর আগে অনেক স্থানেই বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য স্থাপিত হয়েছে কিন্তু সেগুলোর আকার এবং অবস্থান ঐতিহাসিক নির্দশন বহনের জন্য যথেষ্ট নয়।বন্যেরা বনে সুন্দর শিশুরা মাতৃক্রোড়ে নামে যে প্রবাদটি আছে অনেকটা সেরকমই বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যের জন্য সব থেকে উত্তম যায়গা সোহরাওয়ার্দী উদ্যান এবং সেই ভাস্কর্যটি হওয়া চাই ক্রাইস্ট দ্য রিডিমারের মত সুউচ্চ যেন দূর থেকেও সবাই দেখতে পায় ঐ তো বাঙ্গালীর স্বাধীনতার মহানায়ক বঙ্গবন্ধু দাড়িয়ে আছেন।

এখন কথা উঠতে পারে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে এই ধরনের স্থাপনার জন্য যদি জায়গা বরাদ্দ করা হয় তাহলে উদ্যানের জায়গা কমে যাবে।আমি মনে করি ওই জায়গাটা ওই ভাষণ সংশ্লিষ্ট কাজের জন্য ব্যবহার করাই যুক্তিযুক্ত।আজ আমরা সব দল যে ওখানে সভা সমাবেশ করার সুযোগ পাচ্ছি তার একমাত্র কারণ বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণ।যদি সেদিন ওখানে ভাষণ না হতো তাহলে হতে পারতো ঢাকা শহরের অন্যান্য স্থানের মত সোহরাওয়ার্দী উদ্যানও আজ জনবসতি গড়ে উঠতো এবং তখনো আমরা সভা সমাবেশ করার সুযোগ পেতাম না। আর তাছাড়া স্থানটিতে একটি টাওয়ার নির্মান করলে নিশ্চই পুরো অঞ্চলটি ছেয়ে যাবে না।প্রতিবছর লাখ লাখ মানুষ একুশে বইমেলাতে আসে।সেই সব অগণিত বইপ্রেমীদের মনেও ধরা দিবে এই ভাস্কর্যটি।ওয়ারেন বাফেটের একটি কথা খুব মনে পড়ছে।তিনি বলেছিলেন ‘আগে জমাও,তার পর যদি কিছু থাকে সেটা খরচ করো’। আমিও মনে করি সবার আগে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান হোক বঙ্গবন্ধু ও তাঁর স্মৃতি চিহ্নের ধারক ও বাহক।তার পর যদি বাকি কিছু স্থান থাকে তো বাকি কাজে ব্যবহার করা যাবে।

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের জায়গা বেশ অনেক।একুশে বইমেলার স্থান বাদেও চারপাশে অগনিত স্থান পড়ে আছে।আমার মতে যে স্থানটিতে স্মৃতিস্তম্ভ তৈরি করা হয়েছে ওখানেই একটি নির্দিষ্ট এরিয়া নিবার্চিত করে সেখানে একটি সুউচ্চ টাওয়ার নির্মানের এখনি সময় এবং সেই টাওয়ারটা অন্তত চার থেকে পাঁচ হাজার স্কয়ারফিট দৈর্ঘ্য প্রস্থের হওয়া চাই এবং টাওয়ারে ওঠার ব্যবস্থাও থাকা চাই।ক্রাইস্ট দ্য রিডিমারে যেমন ভাস্কর্যের বেদীতে গিয়ে মানুষ সৌন্দর্য অবলোকন করতে পারে এটিতেও সেই ব্যবস্থা থাকা উচিত।তবে একটি বিষয়ে শুধু পার্থক্য রাখতে হবে তা হলো ক্রাইস্ট দ্য রিডিমারের ভাস্কর্যের ভিতরেও প্রবেশের সুবিধা আছে অর্থাৎ সিড়ি দিয়ে সরাসরি ভাস্কর্যের হাতের উপর বা মাথার উপরও ওঠা যায়।এ ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যে এই সুবিধাটি রাখা উচিত হবেনা।যেন শুধু মাত্র বেদী পযর্ন্ত ওঠা যায় সেই ব্যবস্থা রাখতে হবে।

এখন কথা হলো চার পাঁচ হাজার স্কয়ারফিট জায়গা নেওয়ার পর কিন্তু সোহরাওয়ার্দি উদ্যানের তামাম জায়গা পড়েই থাকবে সুতরাং চিন্তিত হওয়ার তেমন কোন কারণ নেই।এই টাওয়ারটি নির্মান করার আগে ভাস্কর্যশিল্পী এবং এর সাথে যুক্ত ইঞ্জিনিয়ারদের উচিত রিওডিজেনিরোতে গিয়ে ক্রাইস্ট দ্য রিডিমার ভাস্কর্যটি ভালভাবে পর্যবেক্ষণ করে আসা।ঠিক কিভাবে কোন কোন উপাদান দিয়ে এই টাওয়ারটি নির্মান করলে দীর্ঘস্থায়ী হবে এবং অন্তত একই সাথে এক হাজার বা তার বেশি মানুষকে অনায়াসে ধারণ করতে পারবে সেদিকেও নজর দিতে হবে।কেননা ঘুরতে আসা প্রত্যেকেই টাওয়ারে উঠতে আগ্রহ দেখাবে।টাওয়ারের একদম উপরে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য বেদীর চারপাশের রেলিংএ শক্ত কাচের দেওয়াল দিয়ে ঘিরে দিতে হবে যেন পযর্টকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হয় কেননা অনেকেই রেলিং ধরে দাড়িয়ে ঢাকা শহরটি দেখতে চাইবে।মূল কথা হলো ক্রাইস্ট দ্য রিডিমার পর্যবেক্ষণ করলেই বাকিটা পরিষ্কার হয়ে যাবে।

এখন আসি নির্মান ব্যয় প্রসঙ্গে।অনেকেই বলবেন সরকারী অর্থে এটা নির্মান করা কতটা যৌক্তিক?আমি বলতে চাই বঙ্গবন্ধু যদি না থাকতেন তাহলে আজকের এই বাংলাদেশকি থাকতো?আওয়ামীলীগ,বিএনপি,জাতীয় পার্টি কোন দল কি থাকতো?কোন সরকার কি থাকতো?তাহলে বঙ্গবন্ধুইতো সব সরকারের মধ্যমনি হওয়ার কথা।তাঁর জন্য একটি ভাস্কর্য নির্মানের ব্যয় কেন তবে সরকার বহন করতে পারবে না?যারা বলবেন দেশে অগণিত সমস্যার পিছনে টাকা খরচ না করে একটি ভাস্কর্য নির্মানে এতো গুলো টাকা ব্যয় করা যুক্তিযুক্ত নয় তাদের বলতে চাই সমস্যা সব সময়ই ছিল এবং থাকবে। তা বলে এটিকে কোন ভাবেই এড়িয়ে যাওয়া যুক্তিযুক্ত নয়।আমিতো মনে করি দেশে দল মত নিবির্শেষে অগণিত বঙ্গবন্ধু প্রেমী আছেন যাদের কাছে প্রস্তাব রাখলে এই ভাস্কর্য ও টাওয়ার নির্মানের পুরো ব্যয় তারা বহন করবে।চাঁদা তুলে হলেও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বঙ্গবন্ধু ওয়াচ টাওয়ার এবং সেটির উপরে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য স্থাপন করা হবে।তবে এই পন্থা অবলম্বন করলে সেটি হবে জাতির জন্য কলঙ্কের নাম।যাঁর জন্য দেশ স্বাধীন হলো তাঁর একটি ভাস্কর্য স্থাপনের জন্য যদি চাঁদা উঠাতে হয় সেটি অবশ্যই লজ্জাকর ব্যপার বলে আমি মনে করি।তবে হ্যাঁ ঘোষণা দেওয়ার পর কেউ যদি স্বেচ্ছায় এই আয়োজনে আর্থিক সহযোগিতা করতে আগ্রহী হয় তবে সেটি অবশ্যই গ্রহণ করা উচিত।পাশাপাশি আগত পযর্টকদের মধ্যে যারা টাওয়ারে উঠবে তাদের থেকেও একটি নির্দিষ্ট মেয়াদ পযর্ন্ত টিকেটের ব্যবস্থা করা যেতে পারে এতে করে এই স্থাপনার রক্ষণাবেক্ষন কাজ আরো সহজ হবে।এবং হরহামেশা যে কেউ উঠে স্থাপনাটিকে দুবর্ল করতে পারবে না।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের প্রতিটি মানুষ আশা করি এ বিষয়টি বিবেচনায় নিবেন।আমি স্বপ্ন দেখি সেই দিনটার যেদিন ঘুম থেকে জেগে বেলকনিতে দাড়াতেই সকালে সুযর্টা যেমন চোখে পড়বে তেমনি চোখে পড়বে বঙ্গবন্ধুর তর্জনী উচু করা ভাস্কর্যটি।

২৫ নভেম্বর ২০১৭

ইমেইলঃ zazafee@yahoo.com