Tuesday, February 7, 2023
Homeনিবন্ধএকই লেখার একাধিক পাঠপ্রতিক্রিয়া দেখা যেতে পারে

একই লেখার একাধিক পাঠপ্রতিক্রিয়া দেখা যেতে পারে

একই লেখার একাধিক পাঠপ্রতিক্রিয়া দেখা যেতে পারে। যে বইটি পড়ে আামার মধ্যে মুগ্ধতার রেশ কাটতেই চাইছে না সেই একই লেখা পড়ে অনেকেই বলছে আরে ধুর এটা আবার কোন লেখা হলো নাকি। লেখা না ছাই। নাহ এই দুই পাঠকের কাউকেই আপনি দোষ দিতে পারবেন না। প্রথম শ্রেণীর কথা অনুযায়ী লেখক অসাধারণ লিখেছেন আর দ্বিতীয় ক্যাটাগরির কথা অনুযায়ী লেখক যাচ্ছেতাই লিখেছেন। এটা উল্টোও হতে পারে। লেখক আসলে একই লিখেছেন পাঠক তার রুচি অনুযায়ী লেখাটি পেয়েছে বা পায়নি তাই তার পাঠ প্রতিক্রিয়া ভিন্ন হয়েছে। শুরুটা কাকে দিয়ে করবো? আচ্ছা সাদাত হোসাইনকে দিয়েই করি। শুনলাম সাদাত হোসাইন ভালো লেখেন। যখন শুনলাম তখন তার কোন লেখা আমি পড়িনি।

আমি মেলায় গিয়ে তার বই যে স্টলে বিক্রি হচ্ছে দাড়িয়ে দাড়িয়ে কিছু পড়তাম আর ভীড় দেখতাম। মোটা মোটা বই দেদারছে বিক্রি হচ্ছে এটাকি এমনি এমনি? আনিসুল হক, সুমন্ত আসলামদের বইতো এমন বিক্রি হচ্ছে না। সেসব বইয়ের দামওতো কম। আচ্ছা বাদ দিলাম হাসান আজিজুল হকের বইওতো এমন বিক্রি হয়না। আমার মনে হলো এক বই মেলায় সাদাহ হোসাইনের যত কপি বই বিক্রি হয়েছে হাসান আজিজুল হক স্যারের সারা জীবনেও ততো কপি বই বিক্রি হয়নি। এটুকু পড়ে কেউ আবার ভাবতে বসবেন না আমি সাদাত হোসাইনের প্রচারে নেমেছি।

আমি সাদাত হোসাইনের নির্বাসন বইটা কিনলাম এবং পড়লাম। আমাকে মুগ্ধ করলো। আমি ছদ্মবেশ কিনলাম সেটাও আমাকে মুগ্ধ করলো। আমি ভাবলাম বইটা কি এমনি এমনি আমাকে মুগ্ধ করলো কি না! পড়তে দিলাম এমন কিছু পাঠককে যারা সমরেশ,সুনীল,শীর্ষেন্দু পড়ে অভ্যস্থ। তারাও পড়ে বেশ প্রশংসা করলেন! মনে হলো না আমি ভুল পড়িনি। আমি ছদ্মবেশ বইটা উপহার দিলাম হিমুকে।সে পড়ে যাষ্ট ধুয়ে দিলো। বললো এটা কি কোন লেখা হলো?সব গোজামিল মনে হলো। কিছুই যুক্তিযুক্ত নয়! একই বইয়ের দুটো পাঠক প্রতিক্রিয়া পেলাম। আমি বুঝলাম আমি কোন লেখক থেকে কি ধরনের লেখা আশা করি বা আমার মন ঠিক কোন ধরনের লেখা আশা করে তার উপর বইয়ের সাফল্য নির্ভর করে। আমি এর উদাহরণ দেবো অবশ্যই। অপেক্ষা করুন।

লতিফুল ইসলাম শিবলীর লেখা আসমান বইটার অনেক নাম শুনলাম। এর আগে তার কোন বই আমি পড়িনি। তো গিয়ে দাড়ালাম স্টলে উল্টেপাল্টে দেখে বইটা কিনলাম তার পর পড়ে ভালো লাগলো বলে কিনে নিয়ে আসলাম। পুরো বইটা পড়ে খুবই মুগ্ধ হলাম। মূলত আমার মন যে ধরনের লেখা আশা করছিলো সেটা হুবহু সেরকম লেখা। ভাবলাম তার অন্যান্য লেখাও পড়বো। কিনে আনলাম দারবিশ। সত্যি বলছি আমি লতিফুল ইসলাম শিবলী ভাইকে নিজে বলেছি দারবিশ আমার একটুও ভালো লাগে নি। অথচ এই দারবিশ বইটা নিয়েই কিছু পাঠক আছেন যাদেরকে আমি খুবই পছন্দ করি বিশেষ করে তাদের যে কোন মতামত তো তাদের কয়েকজন বললো আসমান বইটার চেয়েও দারবিশ বইটি বেশি ভালো। আমার ভাবনার সাথে এই মতামতের কিছুই মিললো না। আমি বিষয়টি নিয়ে তাদের সাথে আলোচনা করলাম এবং বুঝলাম দারবিশ বইটিতে যে সব বিষয় নিয়ে বলা হয়েছে তা সম্পর্কে আমার আগে থেকে জানাশোনা কম এবং আগ্রহ কম বিধায় বইটি ভালো লাগেনি। আবারও বুঝলাম অনেক কিছুর উপর একটি লেখার ভালো লাগা মন্দ লাগা নির্ভর করে।

মঈনুল আহসান সাবেরের অনেক লেখা পড়েছি। কোন কোনটা ভালো লেগেছে আবার কোন কোনটা একেবারেই ভালো লাগেনি। তার মানে কি এই যে লেখক লিখতে পারেন নি আবার আপনি এ্ও বলতে পারেন না যে আমি পাঠক হিসেবে যাচ্ছেতাই। যেমন ধরুন কাফকা আসবে নামে যে বইটি সেটা আমার কাছে একেবারেই ভালো লাগেনি ঠিক যেমন দারবিশ ভালো লাগেনি তেমন। এটা হলো পাঠক মনের মানসিক প্রস্তুতি এবং গ্রহনের সক্ষমতার উপর নির্ভরশীল।
আমি একজন পাঠক হিসেবে সেই লেখাই পড়তে ভালোবাসি বা সেই লেখকের সেই লেখাটিকেই এগিয়ে রাখতে চাই বা সেরা বলে ঘোষণা করতে চাই যেটি পড়ে আমি আনন্দ পাই,যেটি পড়তে গিয়ে কোথাও আমাকে হোচট খেতে হয় না। যাই সেটা সাদাত হোসাইন লিখুক বা মার্কেজ লিখুক।

এই যে সবাই আখতারুজ্জামান ইলিয়াস কিংবা শহীদুল জহিরের সাহিত্যের কথা বলেন কি লাভ যদি তা আমাকে মুগ্ধ করতে না পারে! আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের চিলেকোঠার সেপাই ভালো লেগেছে কিন্তু অন্যগুলো তেমন ভালো লাগেনি। আচ্ছা আমি স্বীকার করতে ভয় পাইনা বরং সরাসরি বলি আমি হয়তো তাদের লেখা বুঝতে পারিনি। ভাইরে ভাই কারো একজনের লেখা বুঝার জন্য যদি আমাকে তৈরিই হতে হয় তবে সেই লেখা দিয়ে আমার কাম কি? আমি পাঠক সুতরাং লেখক আমাকে তৈরি করে নিজের লেখা লিখবেন কেন বরং এমন লেখা লিখবেন যা গ্রহণ করতে প্রস্তুত আমি। নতুবা তাদের সেই লেখা গ্রহণের জন্য নিশ্চই গুটিকয়েক পাঠক আছেন উচ্চমার্গীয়। আামিতো সেই দলের নই।

শহীদুল জহিরের ডলুনদীর হা্ওয়া পড়তে গিয়ে যদি আমাকে পুরান ঢাকার ভাষা শিখতে হয় বুঝার জন্য তাহলে সেই লেখা পড়ে আমি আনন্দ পাবো কি করে? এরচেয়ে আমি ঢের বেশি পছন্দ করি শাহাদুজ্জামানের লেখা,সাদাত হোসাইনের লেখা,শাকুর মজিদের লেখা এবং আনিসুল হকের কোন কোন লেখা। এখন পযর্ন্ত আমি যেই লেভেলের পাঠক তাতে আমি দেখেছি একমাত্র হুমায়ূন আহমেদ এবং সাদাত হোসাইন ছাড়া আর কারো যত লেখা পড়তে গিয়েছি সবটা ভালো লাগেনি বরং কোন না কোনটাতে আমি হোচট খেয়েছি। এ দোষ যেমন লেখকের নয় তেমনি আমারও নয়। ওই সব লেখারও লাখ লাখ বিমুগ্ধ পাঠক আছেন। সাদাতের মাত্র তিন চারটা লেখা পড়েছি তাই তাকেও আপাতত বাদ রাখতে হচেচ্ছ। সে ক্ষেত্রে শুধু হুমায়ূন আহমেদের অনেক লেখা পড়েছি এবং কোনটাই পড়তে গিয়ে হোচট খাইনি।

রেজা ঘটকের কিছু কিছু লেখা পড়েছি ভালো লেগেছে। অথচ এই লেখকের নাকি অনেক সাধনা করে লেখা একটি বই “বসনা” এটা পড়তেই পারিনি। জাষ্ট বিরক্ত হয়েছি। আমি শেষে পড়তে না পেরে আরেকজনকে দিয়ে দিয়েছি ঢাউস সাইজের বইটা। এটা নিয়ে আমি লেখককে সে কথা বলেছি। স্বকৃত নোমানের লেখা পড়েছি অনেক সেই একই লেখকের রাজনটী বইটা পড়তে গিয়ে ভালো লাগেনি। আশান উজ জামানের লেখা “অন্য চোখে “ বইটি পুরস্কার পেয়েছে এবং প্রচুর প্রসংশাও কুড়িয়েছে। ছোট ছোট বাক্য বিন্যাসে ভিন্ন রীতিতে লেখা বইটির সমালোচনার চেয়ে প্রসংশাই বেশি পেয়েছে। আমিতো এই ধরনের লেখা পড়ে অভ্যস্থ নই ফলে আমার কাছে আশানুরুপ ভালো লাগেনি। আমি সেটা লেখককে বলেছি অকপটে। তা বলে আমি কখনো বলতে পারি না আপনি যাচ্ছেতাই লিখেছেন বরং বলতে পারি আমি যেমনটি পড়তে ভালোবাসি আপনার লেখাটিট সেরকম নয়। দুনিয়ার কোন লেখকই সব পাঠকের মনের মত করে লিখতে পারবেন না এটাই স্বাভাবিক।

এসব লেখকের কথা বাদ দেই আমি এবং বিশ্ব সাহিত্যের দিকে আসি।পাওলো কোয়েলহোর দ্য আলকেমিষ্ট পড়ে ভীষণ মুগ্ধ হয়ে কিনলাম “ বাই দ্য রিভার পিদরা আই স্যাট ডাউন এন্ড উইপ্ট” সত্যি বলছি মোটেই ভালো লাগেনি। এর পর মনে হলো ধুর ছাই তার আর কোন বই কিনবো না। তার পরও কিনলাম কয়েকটা তার মধ্যে ”ব্রাইডা”র কথা উল্লেখ করা যেতে পারে। কিন্তু একই অবস্থা। আমাকে টানতে পারেনি। ঠিক সেই সময়ে কিনলাম ” ইলেভেন মিনিটস”। এই বইটা আমাকে আজও মন্ত্রমুগ্ধ করে রেখেছে। একই লেখক একই পাঠক অথচ পাঠপ্রতিক্রিয়া ভিন্ন। কার দোষ দিবেন? লেখকের নাকি পাঠকের? কাউকেই দোষ দিতে পারবেন না। কারণ আমার যেটা ভালো লেগেছে সেই ইলেভেন মিনিটস এবং আলকেমিস্ট অন্যদের পড়তে দিয়েছি তাদের ভালো লাগেনি। আবার যে বইগুলি আমার ভালো লাগেনি সেগুলোরও দুনিয়াজোড়া সুনাম।

দুনিয়াজোড়া খ্যাতি নিয়ে হারুকি মুরাকামি লিখেছেন নরওয়েজিয়ান উড বইটি। আপনি আমাকে পাগল বলেন আর গাজাখোর পাঠক বলেন তাতে আমার কিচ্ছু যায় আসে না। নরওয়েজিয়ান উডের চেয়ে ঢের ভালো লাগে বাংলাদেশী অনেক সাধারণ লেখকের লেখা। আমাকে গালি দিতে পারেন কিন্তু আমি স্পষ্টবাদী। আমার ভালো না লাগলে সেটা কে কাউকে খুশি করার জন্য বলতে পারবো না যে ভালো লেগেছে। খোদ কাফকার মেটামরফসিস আমার ভালো লাগেনি। এই যে বললাম মেটামরফসিস ভালো লাগেনি এ জন্য আমার ফাসী হওয়া উচিত বলে্ও অনেকে মনে করতে পারেন কিন্তু আমি বলছি ভালো লাগেনি। এর চেয়ে বরং মান্টোর লেখা আমার ভালো লেগেছে। এর চেয়ে বরং মার্কেজের ”মেলানকোলিস হোর্স” ভালো লেগেছে। মার্কটোয়েনের লেখা ভালো লেগেছে।

বই কিন্তু অনেকটা সিনেমার মত,সিনেমার গানের মত। কিভাবে বলছি শুনুন। ধরুন সাদাত হোসাইনের বই সব চেয়ে বেশি বিক্রি হচ্ছে কিন্তু বছর শেষে আলোচনায় ঘুরে ফিরে একবারও সাদাত হোসাইনের বইয়ের কথা কেউ তুলবে না বরং তুলবে শহীদুল জহির বা আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের কথা। আপনি বাহুবলী সিনেমা এতো আয় করেছে দেখবেন দ্বিতীয়বার দেখতে গেলে কেউ এটা দেখবে না। আমির খানের কত সেরা সেরা মুভি আছে কিন্তু কেউ দেখতে গেলে ঘুরে ফিরে লগান নয়তো রাজা হিন্দুস্থানীই দেখবে। গান শুনতে গেলে দ্বিতীয়বার কেউ মাইয়ারে মাইয়ারে তুই অপরাধী রে শুনবে না বরং শুননবে “ যদি মন কাদে তবে চলে এসো এক বরষায়” কিংবা কফি হাউসের সেই আড্ডাটা আজ আর নেই”

বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান তার মত কেউ নেই অথচ দেখুন আইপিএল এ বিক্রির সময় তার দাম অনেক আনকোরা অচেনা খেলোয়াড়ের চেয়েও কম থাকে। এর মানে এই নয় যে সাকিব সেরা নয়। স্থান কাল পাত্র ভেদে সব বদলে যায়।

লেখকদের লেখা বইগুলিও পাঠক ভেবে পাঠকের রুচি ভেদে সমালোচিত আলোচিত হয়। একই লেখা কারো কাছে অসাধারণ আবার কারো কাছে যাচ্ছেতাই মনে হয়।

আরেকটা ব্যাপার আছে। কিছু মানুষ আছে হুদাই সমালোচনা করে। হয়তো জীবনে সেই লেখকের কোন লেখাই পড়েনি অথচ সমালোচনা করছে।কেন সমালোচনা করছে কারণ তার প্রিয় কোন ব্যক্তি সেই লেখকের সমালোচনা করছে মানে তারও সমালোচনা করতেই হবে। আরও আছে কারো কারো আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা পাঠকপ্রিয়তা দেখে ইচ্ছে করে সমালোচনা করে। নিজে সেই পরিমান জনপ্রিয়তা না পাওয়ায় অনেক সময় এমনটা হতে পারে। বাচ্চাদের মত একটা উদাহরণ দেই। দীপু নাম্বার টু সিনেমায় দীপু তার বাবাকে বলেছিলেন তারেকে তার একদমই পছন্দ হয় না বা তারেক তাকে একদমই পছন্দ করে না। বাবা বলেছিলেন দৃষ্টিভঙ্গি বদলাতে। তারপর ঠিকই দুজন বন্ধু হয়েছিল।
সময় সময় সবকিছুই ওলটপালট হয়ে যায়।

আপনিকি কবিতা পড়েন? যদি নতুনদের কবিতা পড়েন তবে হয়তো এই আপনিই বলবেন সেই সব কবিতা যেমন আখতারুজ্জামান আজাদ,ইমতিয়াজ মাহমুদ আরও অনেকের অনেক কবিতা খোদ মহাদেব সাহা,নির্মলেন্দুগুনের কবিতার চেয়ে ভালো। আমি নিজেও এটা বলি। চাইলে আমাকে গালি দিতেই পারেন সেটা আপনার স্বাধীনতা। তা বলে আমি কখনোই বলিনা আজাদ বা ইমতিয়াজ মহাদেব সাহাকে ছাড়িয়ে গেছে বা নির্মলেন্দুগুনকে ছাড়িয়ে গেছে।আজাদেরা আমাদের সময়কে ধরে কবিতা লিখে আমাদের মন জয় করেছে আর মহাদেব সাহারা সেই সময়কে ধরেছিলেন।তবে সেই যে আগেই বলেছি আলোচনায় কিন্তু ঘুরে ফিরে আজাদদের নাম আসবে না বরং গুনদের নাম আসবে।

যে নজরুলকে পছন্দ করে সে রবীন্দ্রনাথকে পছন্দ নাও করতে পারে।ভালো কথা আমারতো রীবন্দ্রনাথের গান অসম্ভব ভালো লাগলেও কবিতা বা উপন্যাস খুব বেশি ভালো লাগে না। কবিতার ক্ষেত্রে জীবনানন্দ দাশের লেখাই বেশি ভালো লাগে। আবার শরৎচন্দ্রর চেয়ে জহির রায়হান ভালো লাগে।বিভূতিও ভালো লাগে। এর মানে কেউ কিন্তু কারো থেকে কম নয় বেশি নয়। যার যার অবস্থান থেকে সে সে ভিন্ন। পাঠকের পাঠাভ্যাস এবং রুচি ও আগ্রহই লেখকের লেখার মূল্যায়নে ভিন্নতা আনে। আর সে কারণেই অগণিত পাঠক সাদাত হোসাইনের লেখার ভক্ত হয় আবার অগনিত পাঠক পড়ে বা না পড়ে সাদাত হোসাইনকে ধুয়ে দেয়। আর এ কারণেই মহাদেব সাহা,নির্মলেন্দু গুণ বা ইমতিয়াজ মাহমুদের কবিতাকে ছাড়িয়ে জনপ্রিয় হয় মারজুক রাসেল।

সুতরাং অসুবিধা কি যদি কেউ বলে ওয়াও কী অসাধারণ লেখা কিংবা যদি বলে লেখা না ছাই!
লেখকের দুটোতেই লাভ! আলোচনা হোক বা সমালোচনা হোক প্রচারণাতো হচ্ছে! । সিগারেটের প্যাকেটে যতই লিখে দেন ধুম পান সাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর তবু্ও যাদের খাওয়ার তারা খাবেই। একই ভাবে সাদাত হোসাইন বা মারজুক রাসেল বা আনিসুল হক যাকেই আপনি সমালোচনা করে ধুয়ে দেন না কেন তাদের পাঠক কমবে না বরং বাড়বে। আপনি বরং না পড়ে সমালোচনা করে থাকলে কিছু ভালো লেখার স্বাদ থেকে বঞ্চিত হতে পারেন কিংবা পড়ে বিরক্ত হতে পারেন। সেটা আপনার ব্যাপার।

জাজাফী

২৮ মার্চ ২০২০

Most Popular

Recent Comments

RichardDeecy on ছোটলোক
RichardDeecy on গন্তব্য
RichardDeecy on দুই মেরু
FreddieCesty on তুমি বললে
FreddieCesty on দুই মেরু
Ronaldhiere on