টেরোরিষ্ট

ওয়াশিংটন ডিসির ব্যস্ত রাস্তার ফুটপাত ধরে অনেক মানুষ নিজ নিজ গন্তব্যের পথে অবিরাম হেটে চলেছে।সবাই ভীষণ ব্যস্ত।বলতে গেলে তখনো শহরের ঘুম ভাঙ্গেনি অথচ মানুষ ছুটছে তার কর্মস্থলে।সে জন্যই বলা হয়ে থাকে নিউইয়র্ক আর ওয়াশিংটন শহর কখনো ঘুমায় না।পথে যেতে যেতেই হয়তো কেউ কেউ সেরে নিচ্ছে জরুরী যোগাযোগ।অনেকে কানে মোবাইল ধরে কথা বলছে আর হাটছে।কেউ কেউ

ছোটবোনের মেহমানদারী

জেএসসি পরীক্ষার পর বেশ লম্বা ছুটি আমার হাতে।সারাদিন টিভি দেখা,ঘুরতে যাওয়া,গেমস খেলার পরও আমি চেষ্টা করি কিছুটা পড়াশোনা করতে।গল্পের বই বেশি পড়ছি তবে ক্লাস নাইনের বইও সংগ্রহ করে পড়তে চেষ্টা করছি।আবার কখনো কখনো কোন কিছুই পড়তে ইচ্ছে করেনা। এই যেমন আজকে।পড়ার টেবিলে বসে আছি কিন্তু পড়ায় মন বসছে না। অনেকক্ষণ ধরে তাই কলম নিয়ে আঁকিবুকি

ইরেজার

জাজাফীর মন ভালো নেই।শাহ মখদুম হল থেকে বেরিয়ে হাটতে হাটতে বঙ্গবন্ধু হলের সামনে দিয়ে শামছুজ্জোহার সমাধি পেরিয়ে সে তখন একাকী হাটছে প্যারীস রোডে।কোন কিছুই তার ভালো লাগছে না।সোডিয়াম বাতির মোহনীয় আলো তার মনকে আরো ভারাক্রান্ত করে তুলেছে।অন্য দিনের মত আজ আর সে তাপসী রাবেয়া হলের দিকে হাটছে না।ওদিকে যাবার সব গুলো রাস্তা বোধহয় গতকালই বন্ধ