টুনির মায়ের জন্মদিন

মুমু! মানে টুনির মা। দুই অক্ষরের একটি নাম।ভারি সুন্দর।ভারি সুন্দর তার কথা বলা,তার কিশোরী বয়সের উচ্ছলতা তার হাসি তার দুষ্টুমী।সে খুব ছবি তুলতে ভালোবাসে।দুই ভাই বোনের মধ্যে সে ছোট।বড় ভাই ডাক্তার এবং সে তাকে খুবই আদর করে।এমন আদর করে যে আদরে আদরে মুমু কিছুটা বাদর না না বাদরানী হয়ে উঠেছে।তবে ওই রকম দুষ্টুমী বেশ আনন্দের।মুমুর

শিয়ালদহর পথে

শিয়ালদহ ইস্টিশানে নেমেছি।চারদিকে এতো মানুষের ভীড় আমি জীবনেও দেখিনি।আমার কাছে ভীড় মানেই গুলিস্থান,শাখারি বাজার নয়তো বড়জোর ফার্মগেট।কিন্তু শিয়ালদহ ইস্টিশানের ভিড় দেখে মনে হলো বাংলাদেশের ওই সব ভীড় এর কাছে নগন্য।আমার অবস্থা তখন আসিফের সেই কুয়োর ব্যাঙের মত।আচ্ছা কুয়োর ব্যাঙের ঘটনাটা আরেকবার বলে রাখা ভাল।কারণ সবাইতো আর কুয়োর ব্যাঙের গল্পটা জানেনা।যারা জানে তাদের কথা আলাদা কিন্তু

ন্যু ক্যাম্পের অচেনা আগন্তুক

একটা ট্রেন মিস হয়ে গেলেও চান্স থাকে পরের ট্রেনটা পাবো,কিন্তু জীবনে এমনও সুযোগ আসে যা একবার মিস হয়ে গেলে আর কোন দিন দ্বিতীয়বার সুযোগ আসবে কি আসবেনা সেটা কেউ জানেনা।ন্যু ক্যাম্প থেকে আধা কিলোমিটারেরও কম দূরত্বে অবস্থিত লা নুয়েভা মার্কুয়েসা রেস্তোরায় একাকী একটা টেবিলে বসে আছি।স্পেন,ইতালী থেকে শুরু করে ইন্ডিয়ান খাবারও পাওয়া যায় এই হোটেলে।ওসব