ক্যাডেট নাইমের ভাইভার গল্প

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ থেকে এক আলাভোলা ছেলে নাইম কিভাবে কিভাবে যেন ক্যাডেট কলেজে ভর্তি পরীক্ষায় টিকে গেল।ছাত্র হিসেবে ভাল ছিল বলেই হয়তো টিকেছিল কারণ পরবর্তীতে সে

তোফায়েলের প্যারেন্টস ডে

রাতে কারো ঘুম আসছিলনা। লাইটস অফের ঘন্টা বাজলেই বা কার কি। চিন্তা একটাই কালতো প্যারেন্টস ডে।ক্যাডেট লাইফে প্যারেন্টস ডে মানেই ক্যাডেটদের ঈদের দিন।হয়তো আমারও। কিন্তু

সুদিনের অপেক্ষায়

বইটা হাতে নিয়ে পাতা উল্টাতে উল্টাতে হঠাৎ হেসে উঠলো নিরব।ও সাধারণত হাসে না।যে বইটা হাতে নিয়েছে সেটা আলমারি থেকে আমিই বের করে দিয়েছি।কোন রম্য গল্পের

সত্যিকারের বন্ধু

ছোট্ট আলীমের মন খারাপ।তার কোন বন্ধু নেই।যাওবা একটা বন্ধু ছিল সেও তার বাবা মায়ের সাথে অন্য কোথাও চলে গেল।অবশ্য আলীমের ক্লাসে কিছু বন্ধু আছে কিন্তু

একটি কুড়িয়ে পাওয়া নাকফুল

মিরা কোথা থেকে যেন ছুটে আসলো।ওর হাত মুঠি করা,দেখেই বুঝা যাচ্ছে ভিতরে নিশ্চই কিছু একটা লুকিয়ে এনেছে।মিরার মা রান্না ঘরের ডুয়া গোবর মাটি দিয়ে লেপছিল।ওদের

ক্যাডেট কলেজের দারোয়ান

সীমান্ত রক্ষীরা যেমন অতন্দ্র প্রহরীর মত সীমান্ত পাহারা দেয় তেমনি ক্যাডেট কলেজের দারোয়ানদেরও অতন্দ্র প্রহরী হতে হয়।ক্যাডেট কলেজে বাইরে থেকে কোন চোর এসে চুরি করে

একটি সিএনজি কাহিনী

শাহ সাহেব লেন ধরে হাটছিলাম।উদ্দেশ্য আহসান মঞ্জিল যাদুঘরের ওদিকে যাবো।হাতে টাকা ছিলনা বলেই হাটছি।রাশেদের কাছে যদি কিছু টাকা ধার পাই এই আশায়।তবে পুরান ঢাকার অলিগলি

পৃথিবীর অন্য প্রান্তে

পায়ে হেটে পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে যেতে ঠিক কত সময় লাগবে এটা ক্যালকুলেশান করে বের করার চেষ্টা করছিলাম। ড্রয়িংরুমের মেঝেতে বসে খাতা কলমে

1 4 5 6