তখনও তুমি থাকবে

পৃথিবীর সব আলো নিভে যাবে,চারদিকে এক রং নিকোষ কালো অন্ধকার যখন সবাই হতাশায় নিমজ্জিত হবে,চারদিকে না পাওয়ার হাহাকার। ভুবন ডাঙার চিল পথ হারাবে,ডানা মেলে উড়ে

নাকি সব মিছে মায়াজাল

এখনো স্বপ্ন দেখি,জেগে উঠি নব নব প্রেমে যদিও ক্ষুদ্র জীবন জানিনা কখন যাবে থেমে। ভালোবাসি,বিরহের সুর শুনি,প্রতিক্ষণে ভাঙনের ঢেউ ডাক এলে ছেড়ে যাবো,ভুলে যাবো সবথেকে

চৈমনি রাজ্যের সত্যিকারের রাজপুত্র

— তাসনুভা চৌধুরী একটা রাজার ১মাত্র ছেলে ১মাত্র মেয়ে। একদিন বেড়াতে গেলো সমুদ্রে। সেখানে একটা দ্বীপে তারা নামলো তার ছোট ছেলের জন্মদিনের উৎসবের জন্য। হঠাৎ

মিছেই খুঁজি তারে নগরে-বন্দরে রোজ

পৃথিবীর পথে পথে,কোনো এক মায়াবিনী মূখ সারাদিন খুঁজে ফিরি,যার মাঝে আছে সব সুখ। ক্লান্ত দিনের শেষে ঘরে ফিরে চোখ দু’টি বুজি নগরে-বন্দরে কোথাও পাইনি তারে,কোথায়

সেদিন সন্ধ্যা বেলায়

সেদিন সন্ধ্যা বেলায় তুমি এলে বলে সবকিছু ছুড়ে ফেলে ছুটেছি দ্বিচক্রযানে চেপে যেন বিলম্ব তোমাকে অপেক্ষার যন্ত্রনা না দেয় কল্পনার সব রং একসাথে করে তোমাকে

হয়তো আছি কিংবা ছিলাম অথবা নেই

খুব ছোটবেলা থেকেই সবকিছুকে আমার আমার করে বড় হয়েছি আমার বাবা,আমার মা,আমার ভাই,রুমটাও আমার এমনকি বাবার লেখার কলমটিও আমার বলে দাবী ছিলো স্কুল থেকে বছরের

ব্লাংক চেক

ফোর্থ গ্রেডে পড়ুয়া একটা ছেলের হাতে যদি এক মিলিয়ন ডলার ধরিয়ে দেওয়া হয় তাহলে কি করবে সে? কয়দিন লাগবে খরচ করতে? সারা জীবন? নাকি কয়েক

তাঁকে কি চোর বলা ঠিক হবে?

রোজই কারো না করো বাড়িতে চুরি করতো লোকটি।বলতে গেলে কোন দিন খালি হাতে তাকে ফিরতে হত না।চুরি করা দ্রব্যাদি সে চোরাই মার্কেটে বিক্রি করে যা

ছোটমামার পান্তা ইলিশ খাওয়ার গল্প

ছোট মামা বাংলা নববর্ষ উপলক্ষ্যে কদিন আগেই পুরো পরিবার সহ আমেরিকা থেকে বাংলাদেশে এসেছেন।তিনি সিদ্ধান্ত নিয়েছেন আমাদের সব কাজিনদের নিয়ে রমনাতে যাবেন আর উৎসব করে

1 2 3 5